ঠাকুরগাঁওয়ে আন্তর্জাতিক গুম সপ্তাহ পালিত

আন্তর্জাতিক গুম সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে গুমের শিকার ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার, ক্ষতিপূরণ এবং পুনরাবৃত্তিহীনতার নিশ্চয়তা নিশ্চিত সহ ৫ দফা দাবিতে ঠাকুরগাঁওয়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৩ মে) সকাল সাড়ে ১১টায় শহরের চেীরাস্তায় ঘন্টাব্যাপি এ মানববন্ধনের আয়োজন করে মানবাধিকার সংস্থা ‘অধিকার’। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন অধিকার এর জেলা সমন্বয়ক নূর আফতাব রুপম। এতে বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী ও রাজনীতিবিদ রায়হান অপু, সাংবাদিক ফজলে ইমাম বুলবুল, রফিকুল ইসলাম সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের গত ১৭ বছরে নানা সময়ে বহু মানুষ গুম হয়েছেন। অনেক পরিবার হারিয়েছেন তাদের বাবা, ভাই কিংবা সন্তানকে। আয়নাঘরসহ নানা পদ্ধতিতে সংঘটিত এসব গুমের ঘটনা রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনারই অংশ। পতিত হাসিনা সরকারের শাসনামলে সারা দেশে বেআইনীভাবে আটক রাখার বন্দিশালা তৈরি করা হয়। এই সব অবৈধ গোপন বন্দিশালায় বিরোধী রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, ভিন্নমতাবলম্বী এবং তথাকথিত ্রজঙ্গিদের” আটক করে রাখা হতো। বক্তারা আরো বলেন, সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো ২৪ এর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যু-ানের মধ্যে দিয়ে কর্তৃত্ববাদী সরকারের

ঠাকুরগাঁওয়ে আন্তর্জাতিক গুম সপ্তাহ পালিত

আন্তর্জাতিক গুম সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে গুমের শিকার ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার, ক্ষতিপূরণ এবং পুনরাবৃত্তিহীনতার নিশ্চয়তা নিশ্চিত সহ ৫ দফা দাবিতে ঠাকুরগাঁওয়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৩ মে) সকাল সাড়ে ১১টায় শহরের চেীরাস্তায় ঘন্টাব্যাপি এ মানববন্ধনের আয়োজন করে মানবাধিকার সংস্থা ‘অধিকার’।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন অধিকার এর জেলা সমন্বয়ক নূর আফতাব রুপম। এতে বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী ও রাজনীতিবিদ রায়হান অপু, সাংবাদিক ফজলে ইমাম বুলবুল, রফিকুল ইসলাম সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের গত ১৭ বছরে নানা সময়ে বহু মানুষ গুম হয়েছেন। অনেক পরিবার হারিয়েছেন তাদের বাবা, ভাই কিংবা সন্তানকে। আয়নাঘরসহ নানা পদ্ধতিতে সংঘটিত এসব গুমের ঘটনা রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনারই অংশ। পতিত হাসিনা সরকারের শাসনামলে সারা দেশে বেআইনীভাবে আটক রাখার বন্দিশালা তৈরি করা হয়। এই সব অবৈধ গোপন বন্দিশালায় বিরোধী রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, ভিন্নমতাবলম্বী এবং তথাকথিত ্রজঙ্গিদের” আটক করে রাখা হতো।

বক্তারা আরো বলেন, সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো ২৪ এর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যু-ানের মধ্যে দিয়ে কর্তৃত্ববাদী সরকারের পতন হলে অন্তর্বর্তী সরকার গুম হতে সকল ব্যক্তির সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক সনদ অনুমোদন করে এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ ২০২৫ অনুমোদন দেয়। কিন্তু ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই তৃতীয়াংশ আসনে জয়ী হয়ে বিএনপি সরকার গঠন করে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ ২০২৫ সংসদে পাশ করেনি। ফলে অধ্যাদেশটি বাতিল হিসেবে গণ্য হয়। অথচো তারাই বিগত সময়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। দেশের মানুষ বিচার পাবে কার কাছে?

উল্লেখ্য, প্রতি বছর মে মাসের শেষ সপ্তাহে গুম হয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের স্মরণে এবং গুমের সাথে জড়িত ব্যাক্তিদের বিচারের দাবীতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গুমের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সপ্তাহ পালন করা হয়। ১৯৮১ সালে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের নিয়ে গড়ে ওঠা দক্ষিণ আমেরিকার একটি সংগঠন ‘ ফেডেফেম’  প্রথম এই গুমের বিরুদ্ধে সপ্তাহটি পালন করা শুরু করে।

এরপর থেকেই গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মানবাধিকার সংগঠনগুলো সপ্তাহটি পালন করে আসছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow