‘ডলার’ নাম নিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আপত্তি, বিভ্রান্তির শঙ্কা
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানার বক্তব্যে উঠে আসা ‘ডলার’ নামকে ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে। বুধবার (৩ জুন) আত্মপক্ষ সমর্থন ও সাফাই সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে রাষ্ট্রপক্ষ স্পষ্টভাবে জানায়, এ ধরনের নাম মামলার ১৬৪ ধারার জবানবন্দি বা তদন্ত নথিতে নেই। তাই বিচার চলাকালে নতুন করে এমন নাম উপস্থাপন করা হলে তা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে বলে তারা মনে করছে। রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলু আদালত শেষে জানান, সোহেল রানার মুখে ‘ডলার’ নামটি উচ্চারিত হলেও এটি মামলার কোনো আনুষ্ঠানিক নথি, সাক্ষ্য বা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে নেই। তিনি বলেন, তদন্ত ও নথিভুক্ত প্রক্রিয়ার বাইরে এ ধরনের নতুন নাম উল্লেখ বিচারিক প্রক্রিয়াকে জটিল করতে পারে এবং জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করার সুযোগ থাকে। রাষ্ট্রপক্ষ এ বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের নথিতে অন্তর্ভুক্ত করার আবেদন জানিয়েছে, যাতে পরবর্তী যুক্তিতর্কে বিষয়টি স্পষ্টভাবে বিবেচনা করা যায়। শুনানির শুরুতে বিচারক মামলার ১৬ জন সাক্ষীর গুরুত্বপূর্ণ জবানবন্দি আসামিদের সামনে উপস্থাপন ক
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানার বক্তব্যে উঠে আসা ‘ডলার’ নামকে ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে।
বুধবার (৩ জুন) আত্মপক্ষ সমর্থন ও সাফাই সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে রাষ্ট্রপক্ষ স্পষ্টভাবে জানায়, এ ধরনের নাম মামলার ১৬৪ ধারার জবানবন্দি বা তদন্ত নথিতে নেই। তাই বিচার চলাকালে নতুন করে এমন নাম উপস্থাপন করা হলে তা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে বলে তারা মনে করছে।
রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলু আদালত শেষে জানান, সোহেল রানার মুখে ‘ডলার’ নামটি উচ্চারিত হলেও এটি মামলার কোনো আনুষ্ঠানিক নথি, সাক্ষ্য বা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে নেই।
তিনি বলেন, তদন্ত ও নথিভুক্ত প্রক্রিয়ার বাইরে এ ধরনের নতুন নাম উল্লেখ বিচারিক প্রক্রিয়াকে জটিল করতে পারে এবং জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করার সুযোগ থাকে। রাষ্ট্রপক্ষ এ বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের নথিতে অন্তর্ভুক্ত করার আবেদন জানিয়েছে, যাতে পরবর্তী যুক্তিতর্কে বিষয়টি স্পষ্টভাবে বিবেচনা করা যায়।
শুনানির শুরুতে বিচারক মামলার ১৬ জন সাক্ষীর গুরুত্বপূর্ণ জবানবন্দি আসামিদের সামনে উপস্থাপন করেন। এতে রামিসাকে খোঁজার ঘটনা, সন্দেহভাজন ফ্ল্যাট শনাক্ত, ঘরের ভেতরে রক্তের আলামত এবং শিশুটির মরদেহ উদ্ধারের বিবরণ উঠে আসে। একই সঙ্গে স্বপ্না আক্তার কীভাবে সোহেল রানাকে পালাতে সহায়তা করেছিলেন—সে বিষয়টিও আলোচনায় আসে।
পরে আদালত আসামিদের কাছে এসব সাক্ষ্য, ভিডিও প্রমাণ এবং আলামত নিয়ে ব্যাখ্যা জানতে চান।
আত্মপক্ষ সমর্থনের বক্তব্যে সোহেল রানা বলেন, ‘আমি নির্দোষ স্যার। আমাকে মাফ করে দিন।’ পরে তিনি আবারও বলেন, ‘ডলারকে ধরেন। আমি অপরাধ করেছি। তাকেও ধরেন।’ একপর্যায়ে তাকে নিজের সন্তানের কথা উল্লেখ করে ক্ষমা চাওয়ার কথাও বলতে শোনা যায়।
পুরো শুনানি শেষে আদালত আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৪ জুন) যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য করেন। যুক্তিতর্ক শেষ হলে মামলার রায়ের তারিখ নির্ধারণ করা হবে।
এমডিএএ/এমএমকে
What's Your Reaction?