ডা. কামরুলের হাসপাতালে চাঁদা দাবি, জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাইল জমিয়ত
মানবিক চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের হাসপাতালে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদা দাবির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ। একই সঙ্গে একই সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনি প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। রোববার (১২ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে দলটির সভাপতি শাইখুল হাদিস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক ও মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী এই দাবি জানান। বিবৃতিতে দলের শীর্ষ দুই নেতা বলেন, একজন মানবিক চিকিৎসকের প্রতিষ্ঠানে গিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে চাঁদা দাবি ও হুমকি প্রদানের ঘটনা গোটা জাতির জন্য লজ্জাজনক। চিকিৎসা সেবা একটি মহান পেশা, যেখানে মানুষের জীবন রক্ষা ও মানবিক সহায়তা প্রদানই মূল লক্ষ্য। সেখানে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে চাঁদা দাবি করা শুধু আইনবিরোধীই নয়, বরং সমাজের জন্য হুমকিস্বরূপ। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যারা রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদা দাবি করেছে, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, এ ঘটনায় যেন কোনো ধরনে
মানবিক চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের হাসপাতালে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদা দাবির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ। একই সঙ্গে একই সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনি প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
রোববার (১২ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে দলটির সভাপতি শাইখুল হাদিস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক ও মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী এই দাবি জানান।
বিবৃতিতে দলের শীর্ষ দুই নেতা বলেন, একজন মানবিক চিকিৎসকের প্রতিষ্ঠানে গিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে চাঁদা দাবি ও হুমকি প্রদানের ঘটনা গোটা জাতির জন্য লজ্জাজনক। চিকিৎসা সেবা একটি মহান পেশা, যেখানে মানুষের জীবন রক্ষা ও মানবিক সহায়তা প্রদানই মূল লক্ষ্য। সেখানে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে চাঁদা দাবি করা শুধু আইনবিরোধীই নয়, বরং সমাজের জন্য হুমকিস্বরূপ।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যারা রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদা দাবি করেছে, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, এ ঘটনায় যেন কোনো ধরনের ছাড় না দেওয়া হয়।
জমিয়ত হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে জানায়, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দমন করা না গেলে সরকারের ইতিবাচক উন্নয়ন কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বাড়বে। তারা দেশব্যাপী চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান এবং সকল সচেতন নাগরিককে এ ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।
What's Your Reaction?