ডিএমটিসিএলের চাকরি বিধিমালা কার্যকর না হলে কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা
২০১৩ সালে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) প্রতিষ্ঠার পর এক যুগ পার হলেও ৯০০-র বেশি নিয়মিত কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য কোনো স্বতন্ত্র চাকরি-বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়নি। তাই আগামীকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিতব্য বোর্ড মিটিংয়ে সার্ভিস রুলস কার্যকর না হলে ডিএমটিসিএলের সর্বস্তরের কর্মচারীরা কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণা করেছেন। ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর মেট্রোরেল চালু হওয়ার পর থেকে ডিএমটিসিএলের স্থায়ী কর্মচারীরা দিন-রাত দক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কার্যক্রম পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করে আসছেন। অথচ চাকরি বিধিমালা না থাকায় শৃঙ্খলা বিধান ও চাকরির নিরাপত্তাসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বিষয়ে চরম অনিশ্চয়তা, বৈষম্য ও অস্বচ্ছতা বিরাজ করছে। নীতিমালা না থাকায় প্রশাসনিক ও অপারেশন ও মেইটেইন্যান্স কাজে অস্পষ্টতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বেচ্ছাচারিতার কারণে কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। উপদেষ্টা ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখের নির্দেশনা মোতাবেক ৬০ (ষাট) কর্মদিবসের মধ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ চাকরি বিধিমালা প্রণয়ন করার নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও ওই সময়ের মধ্য
২০১৩ সালে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) প্রতিষ্ঠার পর এক যুগ পার হলেও ৯০০-র বেশি নিয়মিত কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য কোনো স্বতন্ত্র চাকরি-বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়নি। তাই আগামীকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিতব্য বোর্ড মিটিংয়ে সার্ভিস রুলস কার্যকর না হলে ডিএমটিসিএলের সর্বস্তরের কর্মচারীরা কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণা করেছেন।
২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর মেট্রোরেল চালু হওয়ার পর থেকে ডিএমটিসিএলের স্থায়ী কর্মচারীরা দিন-রাত দক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কার্যক্রম পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করে আসছেন। অথচ চাকরি বিধিমালা না থাকায় শৃঙ্খলা বিধান ও চাকরির নিরাপত্তাসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বিষয়ে চরম অনিশ্চয়তা, বৈষম্য ও অস্বচ্ছতা বিরাজ করছে।
নীতিমালা না থাকায় প্রশাসনিক ও অপারেশন ও মেইটেইন্যান্স কাজে অস্পষ্টতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বেচ্ছাচারিতার কারণে কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
উপদেষ্টা ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখের নির্দেশনা মোতাবেক ৬০ (ষাট) কর্মদিবসের মধ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ চাকরি বিধিমালা প্রণয়ন করার নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও ওই সময়ের মধ্যে তা প্রণয়ন করা হয়নি। পরে কর্মচারীদের দাবির মুখে ৭৩তম বোর্ড সভায় সার্ভিস রুল অনুমোদন দেওয়া হয়। কোম্পানি আইনে প্রতিষ্ঠিত এই স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের বোর্ড এর ‘অনুমোদিত সার্ভিস রুলস’ কার্যকরের এখতিয়ার থাকলেও শুধু কালক্ষেপণের লক্ষ্যে অর্থ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে মতামত প্রদানের জন্য প্রেরণ করা হয়।
সার্ভিস রুল অনুমোদনের পর দীর্ঘ ৭ মাস পেরিয়েছে। এরই মধ্যে একাধিকবার ডিএমটিসিএল এর এমডি বরাবর একাধিকবার স্মারকলিপি প্রদানের মাধ্যমে এই যৌক্তিক দাবি তুলে ধরা হলেও শুধু আশ্বাস ছাড়া কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি পরিলক্ষিত হয়নি।
কর্তৃপক্ষের এই ক্রমাগত উদাসীনতা ও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের কারণে ডিএমটিসিএলের সাধারণ কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও হতাশা বিরাজ করছে এবং সার্ভিস রুলস কার্যকরে কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতার কারণে কর্মচারীদের ধৈর্যের সীমা অতিক্রম করেছে। গতকাল মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল থেকে কর্তৃপক্ষকে সার্ভিস রুলস এবং অর্গানোগ্রাম কার্যকর বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি। অতঃপর আমরা নিয়মিত কর্মচারীরা অবস্থান কর্মসূচিতে আছি।
প্রতিষ্ঠানের সুশাসন ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামীকাল ৩০ জুলাই ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য বোর্ড মিটিংয়ে সার্ভিস রুলস কার্যকর করতে হবে অন্যথায় আমরা ডিএমটিসিএলের সর্বস্তরের কর্মচারীরা কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবো এবং এর ফলে সৃষ্ট সম্ভাব্য জনদুর্ভোগের সমুদয় দায়ভার ডিএমটিসিএল কর্তৃপক্ষকেই বহন করতে হবে।
What's Your Reaction?