ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল ৫ম দফায় ৩ দিনের রিমান্ডে

পল্টন থানার বিএনপি কর্মী মকবুল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক ও বরখাস্ত সেনা কর্মকর্তা মো. আফজাল নাছেরকে পঞ্চম দফায় তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) তার আরও ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এর আগে, গত ২৯ মার্চ রাতে বরখাস্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আফজাল নাছেরকে (৬১) রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস-এর একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে দেলোয়ার হোসেন নিহতের মামলায় ৩০ মার্চ তার ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছিল। আফজাল নাছেরের বাড়ি নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার মজিরখিল এলাকায়। তিনি ১৯৮৪ সালের ৪ জুলাই সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন। ২০০৭ সালের জুন থেকে ২০০৮ সালের মার্চ পর্যন্ত ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) ছিলেন আফজাল নাছের। জানা গেছে, ওয়ান-ইলেভেনের সময় ডিজিএফআইয়ের অ্যান্টি-টেররিজম ইউনিটে কর্মরত ছিলেন তিনি। ওই ইউনিটের প্রধান ছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এটিএম আমিন। তার নেতৃত্বে আফজাল গ্রেপ্তার, নির্যাতনসহ নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিএনপির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ দলের কয়েকজন গু

ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল ৫ম দফায় ৩ দিনের রিমান্ডে

পল্টন থানার বিএনপি কর্মী মকবুল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক ও বরখাস্ত সেনা কর্মকর্তা মো. আফজাল নাছেরকে পঞ্চম দফায় তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) তার আরও ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

এর আগে, গত ২৯ মার্চ রাতে বরখাস্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আফজাল নাছেরকে (৬১) রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস-এর একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে দেলোয়ার হোসেন নিহতের মামলায় ৩০ মার্চ তার ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছিল।

আফজাল নাছেরের বাড়ি নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার মজিরখিল এলাকায়। তিনি ১৯৮৪ সালের ৪ জুলাই সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন। ২০০৭ সালের জুন থেকে ২০০৮ সালের মার্চ পর্যন্ত ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) ছিলেন আফজাল নাছের।

জানা গেছে, ওয়ান-ইলেভেনের সময় ডিজিএফআইয়ের অ্যান্টি-টেররিজম ইউনিটে কর্মরত ছিলেন তিনি। ওই ইউনিটের প্রধান ছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এটিএম আমিন। তার নেতৃত্বে আফজাল গ্রেপ্তার, নির্যাতনসহ নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিএনপির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ দলের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে ওয়ান-ইলেভেনের সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের মুখে পড়তে হয়। এসব ঘটনার বর্ণনায় বারবার নাম এসেছে কর্নেল আফজালের।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টুকে হেনস্তা ও জোরপূর্বক ভিডিও ধারণেরও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের ভাইরাল হওয়া ভিডিও ধারণের সঙ্গেও তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। ব্যবসায়ী মোসাদ্দেক আলী ফালুর ওপর নির্যাতনের ঘটনাতেও তিনি যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow