ডিসি জাহিদের কাছে ভিড় বাড়ছে সাহায্যপ্রার্থীদের
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে দিন দিন বাড়ছে অসহায় মানুষের ভিড়। অসুস্থতা, দারিদ্র্য, কর্মহীনতা ও চরম আর্থিক সংকটে পড়া মানুষ শেষ আশার ঠিকানা হিসেবে ছুটে আসছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার কাছে। প্রতিটি আবেদনেই ফুটে উঠছে বেঁচে থাকার সংগ্রাম আর করুণ বাস্তবতার চিত্র।
বুধবার (৮ এপ্রিল) গণশুনানিতে ক্যানসারে আক্রান্ত লাভলী দাস গুপ্তা চিকিৎসার ব্যয় বহনে অক্ষম হয়ে সহায়তা চান। ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তার পরিবারের সঞ্চয় শেষ হয়ে যায়। বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তা দেন জেলা প্রশাসক।
একইভাবে গুরুতর অসুস্থ ৫৫ বছর বয়সি মোহাম্মদ সুমন প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যয়ের ভার বহনে অক্ষম হয়ে সহায়তা প্রার্থনা করেন। তাকেও নিরাশ করেননি জেলা প্রশাসক।
৬৫ বছর বয়সি হাছিনা বেগম, দীর্ঘদিন অসুস্থ জামিলা বেগম, কর্মক্ষমতা হারানো মনজুর আলম, নিঃস্ব হয়ে পড়া নুরুল ইসলাম- এমন আরও অনেকেই সহায়তার আশায় গণশুনানিতে হাজির হন। প্রত্যেকের আবেদন মনোযোগ দিয়ে শুনে তাৎক্ষণিক সহায়তা প্রদান করেন জেলা প্রশাসক।
রাঙামাটির লংগদু উপজেলার বাসিন্দা সামাদ আলীও দারিদ্র্য ও অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা চালিয়
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে দিন দিন বাড়ছে অসহায় মানুষের ভিড়। অসুস্থতা, দারিদ্র্য, কর্মহীনতা ও চরম আর্থিক সংকটে পড়া মানুষ শেষ আশার ঠিকানা হিসেবে ছুটে আসছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার কাছে। প্রতিটি আবেদনেই ফুটে উঠছে বেঁচে থাকার সংগ্রাম আর করুণ বাস্তবতার চিত্র।
বুধবার (৮ এপ্রিল) গণশুনানিতে ক্যানসারে আক্রান্ত লাভলী দাস গুপ্তা চিকিৎসার ব্যয় বহনে অক্ষম হয়ে সহায়তা চান। ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তার পরিবারের সঞ্চয় শেষ হয়ে যায়। বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তা দেন জেলা প্রশাসক।
একইভাবে গুরুতর অসুস্থ ৫৫ বছর বয়সি মোহাম্মদ সুমন প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যয়ের ভার বহনে অক্ষম হয়ে সহায়তা প্রার্থনা করেন। তাকেও নিরাশ করেননি জেলা প্রশাসক।
৬৫ বছর বয়সি হাছিনা বেগম, দীর্ঘদিন অসুস্থ জামিলা বেগম, কর্মক্ষমতা হারানো মনজুর আলম, নিঃস্ব হয়ে পড়া নুরুল ইসলাম- এমন আরও অনেকেই সহায়তার আশায় গণশুনানিতে হাজির হন। প্রত্যেকের আবেদন মনোযোগ দিয়ে শুনে তাৎক্ষণিক সহায়তা প্রদান করেন জেলা প্রশাসক।
রাঙামাটির লংগদু উপজেলার বাসিন্দা সামাদ আলীও দারিদ্র্য ও অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে না পেরে সাহায্যের আবেদন করেন। তাকেও নগদ সহায়তা দেওয়া হয়।
গণশুনানিতে জমা পড়া অধিকাংশ আবেদনেই দেখা গেছে, দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা ব্যয় বহনে অক্ষম হয়ে পড়েছেন অনেকেই। আবার অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারিয়ে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন অনেকে।
জানা গেছে, জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক এই গণশুনানিতে সরাসরি আবেদন গ্রহণ, তাৎক্ষণিক সহায়তা প্রদান এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার মাধ্যমে প্রশাসন মানুষের আরও কাছাকাছি পৌঁছাতে পারছে।