ড্রেসিংরুমের বদলে যাওয়া পরিবেশেই সাফল্য দেখছেন সালাউদ্দিন

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাম্প্রতিক সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হিসেবে ড্রেসিংরুমের মানসিকতা ও খেলোয়াড়দের পরিপক্বতাকেই দেখছেন সদ্য সাবেক সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। তার মতে, দল এখন ধীরে ধীরে এমন এক সংস্কৃতির দিকে এগোচ্ছে, যেখানে জেতাটা অভ্যাসে পরিণত হতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে তিন সংস্করণেই বাংলাদেশের উন্নতি চোখে পড়ছে। তবে এই অবস্থাতেই আত্মতুষ্ট হওয়ার সুযোগ দেখছেন না সালাউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘টিমটা তিনটা ফরম্যাটেই ভালো অবস্থায় আছে। ভবিষ্যতে আমি আশা করব যে এরা আরো সামনের দিকে নিয়ে যাবে। এটাতে সন্তষ্ট থাকারও কোনো সুযোগ নেই। এখানে আত্মতুষ্টিতে ভোগা যাবে না কারণ আমরা এখন পর্যন্ত মেজর কোনো টুর্নামেন্টে ভালো করি নাই।’ বাংলাদেশ দল এখন ধারাবাহিক সাফল্যের পথে হাঁটছে বলেও মনে করেন তিনি। অতীতে বিচ্ছিন্ন কিছু জয় এলেও সেটি ধরে রাখা যেত না বলে উল্লেখ করেন সাবেক এই কোচ। তার ভাষায়, ‘আমরা হয়তো একটা জিততাম তারপরে আবার দুই সিরিজ পারতাম না। কিন্তু এখন ছেলেরা দিন দিন উইনিং একটা কালচারের দিকে আসছে একটা সময় এটা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যাবে।’ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের সম্ভাবনা নিয়েও আশাবাদী সা

ড্রেসিংরুমের বদলে যাওয়া পরিবেশেই সাফল্য দেখছেন সালাউদ্দিন

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাম্প্রতিক সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হিসেবে ড্রেসিংরুমের মানসিকতা ও খেলোয়াড়দের পরিপক্বতাকেই দেখছেন সদ্য সাবেক সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। তার মতে, দল এখন ধীরে ধীরে এমন এক সংস্কৃতির দিকে এগোচ্ছে, যেখানে জেতাটা অভ্যাসে পরিণত হতে পারে।

সাম্প্রতিক সময়ে তিন সংস্করণেই বাংলাদেশের উন্নতি চোখে পড়ছে। তবে এই অবস্থাতেই আত্মতুষ্ট হওয়ার সুযোগ দেখছেন না সালাউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘টিমটা তিনটা ফরম্যাটেই ভালো অবস্থায় আছে। ভবিষ্যতে আমি আশা করব যে এরা আরো সামনের দিকে নিয়ে যাবে। এটাতে সন্তষ্ট থাকারও কোনো সুযোগ নেই। এখানে আত্মতুষ্টিতে ভোগা যাবে না কারণ আমরা এখন পর্যন্ত মেজর কোনো টুর্নামেন্টে ভালো করি নাই।’

বাংলাদেশ দল এখন ধারাবাহিক সাফল্যের পথে হাঁটছে বলেও মনে করেন তিনি। অতীতে বিচ্ছিন্ন কিছু জয় এলেও সেটি ধরে রাখা যেত না বলে উল্লেখ করেন সাবেক এই কোচ।

তার ভাষায়, ‘আমরা হয়তো একটা জিততাম তারপরে আবার দুই সিরিজ পারতাম না। কিন্তু এখন ছেলেরা দিন দিন উইনিং একটা কালচারের দিকে আসছে একটা সময় এটা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যাবে।’

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের সম্ভাবনা নিয়েও আশাবাদী সালাউদ্দিন। বর্তমানে র‍্যাঙ্কিংয়ের সাত নম্বরে থাকা দলটি ঘরের মাঠে শক্ত অবস্থান ধরে রাখার পাশাপাশি বিদেশের কঠিন সফর থেকেও সাফল্য টেনে আনতে পারবে বলে বিশ্বাস তার।

তিনি বলেন, ‘দেশের জন্য আমরা না হারি দেশের যতগুলো টেস্ট আছে সেটাতে আমরা যেন না হারি এটাও আমাদের একটা ভালো লক্ষ্য হবে। দক্ষিণ আফ্রিকা বা অস্ট্রেলিয়া দুটোই অনেক কঠিন সিরিজ হবে। সেখান থেকে যদি আমরা দুই একটা টেস্ট জিততে পারি আমরা মনে হয় যে শীর্ষ চারে থাকতে পারবো।’

সিলেট টেস্টে লিটন দাসের ম্যাচ বদলে দেওয়া ইনিংস নিয়েও প্রশংসা করেন তিনি। তবে সেই কৃতিত্ব পুরোপুরি ব্যাটারের নিজের সিদ্ধান্ত গ্রহণের সামর্থ্যের ওপরই দিয়েছেন সালাউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘লিটন যেটা খেলেছে তা নিজের সিদ্ধান্তে খেলেছে এবং সে অনেক ভালো খেলেছে।’

দলের ভেতরের বোঝাপড়া ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতিকেও সাম্প্রতিক অগ্রগতির বড় কারণ হিসেবে দেখছেন এই কোচ। তার মতে, এখন ক্রিকেটাররা নিজেদের পরিকল্পনা ও ভাবনা আরও পরিষ্কারভাবে প্রকাশ করতে পারছেন।

সালাউদ্দিনের ভাষায়, ‘পরিবেশ অনেক ভালো ছেলেরা নিজেদের আন্ডারস্ট্যান্ডিং ভালো হয়েছে, কমিউনিকেশন স্কিল বেটার হইছে যেটা আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা।’

জাতীয় দলের সঙ্গে ভবিষ্যতে আবার কাজ করার সম্ভাবনা নিয়েও প্রশ্নের মুখোমুখি হন তিনি। তবে নির্দিষ্ট কোনো পদ নয়, নিজের পরিচয়কে তিনি দেখছেন শুধুই একজন কোচ হিসেবে। সালাউদ্দিন বলেন, ‘আমি কোনোদিন বলি নাই যে আমাকে ন্যাশনাল টিমের কোচ বানাতেই হবে। আমি যেখানে কাজ করে মজা পাবো আমি সেই কাজটাই করব।’

এসকেডি/আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow