ঢলের স্রোতে ভেসে গেল ঘর, যুবকের মৃত্যু
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে পাহাড়ি ঢলের পানিতে ঘরের সঙ্গে ভেসে গেছেন রুবেল মিয়া (৩০) নামের মানসিক ভারসাম্যহীন এক যুবক। তিনি বড়দল পুরানহাটি গ্রামের বাসিন্দা বশিরুল হকের ছেলে। সোমবার (২২ জুন) সকালে উপজেলার বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়নের বড়দল নতুনহাটি ও পুরানহাটির মাঝের খাল-সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, গত দুদিনের টানা ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তাহিরপুরে অবস্থিত সব নদ-নদীর পানি দ্রুত বেড়ে যায়। এতে বড়দল গ্রামে নদীর পানি বাঁধ উপচে মাটিয়ান হাওরে প্রবেশ করতে শুরু করলে ওই গ্রামের বসতঘরগুলো ভাঙনের মুখে পড়ে। এসময় রশিরুল হকের ঘরটি প্রবল স্রোতে দ্রুত ভাঙতে শুরু করে। এসময় সবাই ঘর থেকে বের হয়ে যান। তবে বের হতে পারেননি ঘরে রশি দিয়ে বাঁধা রুবেল মিয়া। স্রোতের তোড়ে ঘরটি পানিতে ভেসে গেলে নিখোঁজ হন তিনি। প্রায় সাত ঘণ্টা পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। লিপসন আহমেদ/এসআর/এমএস
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে পাহাড়ি ঢলের পানিতে ঘরের সঙ্গে ভেসে গেছেন রুবেল মিয়া (৩০) নামের মানসিক ভারসাম্যহীন এক যুবক। তিনি বড়দল পুরানহাটি গ্রামের বাসিন্দা বশিরুল হকের ছেলে।
সোমবার (২২ জুন) সকালে উপজেলার বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়নের বড়দল নতুনহাটি ও পুরানহাটির মাঝের খাল-সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, গত দুদিনের টানা ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তাহিরপুরে অবস্থিত সব নদ-নদীর পানি দ্রুত বেড়ে যায়। এতে বড়দল গ্রামে নদীর পানি বাঁধ উপচে মাটিয়ান হাওরে প্রবেশ করতে শুরু করলে ওই গ্রামের বসতঘরগুলো ভাঙনের মুখে পড়ে। এসময় রশিরুল হকের ঘরটি প্রবল স্রোতে দ্রুত ভাঙতে শুরু করে।
এসময় সবাই ঘর থেকে বের হয়ে যান। তবে বের হতে পারেননি ঘরে রশি দিয়ে বাঁধা রুবেল মিয়া। স্রোতের তোড়ে ঘরটি পানিতে ভেসে গেলে নিখোঁজ হন তিনি। প্রায় সাত ঘণ্টা পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।
লিপসন আহমেদ/এসআর/এমএস
What's Your Reaction?