ঢাকা কলেজে নববর্ষ উদযাপন, বর্ণিল আয়োজনে মুখর ক্যাম্পাস

নতুন বছরের সূচনা মানেই নতুন আশা, নতুন স্বপ্ন আর জীবনের নতুন অধ্যায়ের সূচনা। আজ পহেলা বৈশাখ। ক্যালেন্ডারের পাতায় ১৪২৭। আর এই নববর্ষ ঘিরে রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী ঢাকা কলেজ প্রাঙ্গণ আজ যেন রঙিন এক আনন্দমেলায় পরিণত হয়েছে।  মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল থেকেই শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রাণচঞ্চল উপস্থিতিতে পুরো ক্যাম্পাস ভরে ওঠে উৎসবের আমেজে। দেখা হওয়া মাত্রই একে অপরকে জানাচ্ছেন সালাম এবং নববর্ষের শুভেচ্ছা। নতুন বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে কলেজ কর্তৃক আয়োজন করা হয় আনন্দ শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং ঢাকা কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ, শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা। সকাল পৌনে এগারোটায় কলেজের মূল ভবনের সামনে থেকে একটি মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করা হয় যা মিরপুর রোড প্রদক্ষিণ করে পুণরায় কলেজে এসে শেষ হয়। এরপর কলেজের শহীদ আ. ন. ম. নজীব উদ্দিন খান খুররম অডিটোরিয়ামে ‘এসো হে বৈশাখ এসো এসো’ গানের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভার সূচনা হয়। সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জান

ঢাকা কলেজে নববর্ষ উদযাপন, বর্ণিল আয়োজনে মুখর ক্যাম্পাস

নতুন বছরের সূচনা মানেই নতুন আশা, নতুন স্বপ্ন আর জীবনের নতুন অধ্যায়ের সূচনা। আজ পহেলা বৈশাখ। ক্যালেন্ডারের পাতায় ১৪২৭। আর এই নববর্ষ ঘিরে রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী ঢাকা কলেজ প্রাঙ্গণ আজ যেন রঙিন এক আনন্দমেলায় পরিণত হয়েছে। 

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল থেকেই শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রাণচঞ্চল উপস্থিতিতে পুরো ক্যাম্পাস ভরে ওঠে উৎসবের আমেজে। দেখা হওয়া মাত্রই একে অপরকে জানাচ্ছেন সালাম এবং নববর্ষের শুভেচ্ছা। নতুন বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে কলেজ কর্তৃক আয়োজন করা হয় আনন্দ শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং ঢাকা কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ, শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা।

সকাল পৌনে এগারোটায় কলেজের মূল ভবনের সামনে থেকে একটি মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করা হয় যা মিরপুর রোড প্রদক্ষিণ করে পুণরায় কলেজে এসে শেষ হয়। এরপর কলেজের শহীদ আ. ন. ম. নজীব উদ্দিন খান খুররম অডিটোরিয়ামে ‘এসো হে বৈশাখ এসো এসো’ গানের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভার সূচনা হয়।

সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, পহেলা বৈশাখ নিছক একটি বর্ষপঞ্জির সূচনা নয় বরং এটি আমাদের জাতিসত্তা ও আবহমানকালের গৌরবময় সংস্কৃতির উদযাপন। সকল প্রকার বৈষম্য ও আসাম্প্রদায়িক চেতনা দূর করে ঐক্যবদ্ধ থাকার জন্য সবাইকে আহবান জানান তিনি। 

এসময় ছাত্রজীবনে ঢাকা কলেজে পড়ার সময়ের স্মৃতিচারণ করেন তিনি। একইসঙ্গে কলেজের আবাসন সংকট দূর করার জন্য সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।

নববর্ষ উপলক্ষ্যে কলেজের মূল ভবন ও শহীদ মিনারের সামনে দুটি স্টলে পান্তা- ইলিশ বিক্রি হতে দেখা যায়। মাত্র একশ টাকার এই প্যাকেজে ওয়ান টাইম প্লেটে পান্তা ভাত, ইলিশ মাছ, আলু ভর্তা, শুকনো মরিচ, বেগুন ভাজা, পেয়াজ পরিবেশন করা হয়। সব ভেদাভেদ ভুলে বন্ধুদের সঙ্গে হাসি-তামাশা করতে করতে বাঙালির এই ঐতিহ্যবাহী খাবার খাওয়া যেন নববর্ষের আনন্দকে আরও নতুন মাত্রা যোগ করে দেয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow