ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হাইপার অ্যাওয়ারনেস রান অনুষ্ঠিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে হাইপারটেনশন অ্যাওয়ারনেস রান (HAR) ২০২৬। ‌‘নিয়মিত রক্তচাপ মাপুন, নীরব ঘাতক উচ্চ রক্তচাপকে প্রতিরোধ করুন’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এবারের আয়োজন করা হয়। শুক্রবার (১৫ মে) ভোর সাড়ে ৫টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ থেকে লিপিড সোসাইটি অব বাংলাদেশ (এলএসবি) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর যৌথ উদ্যোগে এই সচেতনতামূলক দৌড়ের আয়োজন করা হয়। ইভেন্টে ৫ কিলোমিটার ও ২ কিলোমিটার—দুই ক্যাটাগরিতে চিকিৎসক, মেডিকেল শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার চার শতাধিক প্রতিযোগী অংশ নেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কনক কান্তি বড়ুয়া এবং ভাস্কুলার সার্জন সাকলায়েন রাসেল। এ সময় লিপিড সোসাইটি অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. মোখলেছুর রহমানসহ আয়োজক কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকরা জানান, দেশে দিন দিন উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশনের ঝুঁকি বাড়ছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি এবং স্বাস্থ্যকর জীবনধারায় উৎসাহিত করতেই এ আয়োজন করা হয়েছে। দৌড় শেষে বিজয়ীদের মধ্যে মেডেল ও ই-সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। এ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হাইপার অ্যাওয়ারনেস রান অনুষ্ঠিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে হাইপারটেনশন অ্যাওয়ারনেস রান (HAR) ২০২৬। ‌‘নিয়মিত রক্তচাপ মাপুন, নীরব ঘাতক উচ্চ রক্তচাপকে প্রতিরোধ করুন’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এবারের আয়োজন করা হয়।

শুক্রবার (১৫ মে) ভোর সাড়ে ৫টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ থেকে লিপিড সোসাইটি অব বাংলাদেশ (এলএসবি) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর যৌথ উদ্যোগে এই সচেতনতামূলক দৌড়ের আয়োজন করা হয়।

ইভেন্টে ৫ কিলোমিটার ও ২ কিলোমিটার—দুই ক্যাটাগরিতে চিকিৎসক, মেডিকেল শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার চার শতাধিক প্রতিযোগী অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কনক কান্তি বড়ুয়া এবং ভাস্কুলার সার্জন সাকলায়েন রাসেল। এ সময় লিপিড সোসাইটি অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. মোখলেছুর রহমানসহ আয়োজক কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকরা জানান, দেশে দিন দিন উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশনের ঝুঁকি বাড়ছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি এবং স্বাস্থ্যকর জীবনধারায় উৎসাহিত করতেই এ আয়োজন করা হয়েছে।

দৌড় শেষে বিজয়ীদের মধ্যে মেডেল ও ই-সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। এছাড়া লটারির মাধ্যমে ২০ জন বিজয়ীকে বিশেষ স্বাস্থ্য সুরক্ষা উপহার প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠান সফল করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাইক্লিং ক্লাব, ডাকসু এবং স্বেচ্ছাসেবকরা সহযোগিতা করেন। আয়োজকরা জানান, জনস্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

এসইউজে/এনএইচআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow