ঢাকাসহ ৪৫ জেলায় বইছে তাপপ্রবাহ, গরমে কাহিল মানুষ

সকালের সূর্য পূব আকাশে উঁকি দেওয়ার আগেই ঘামছে শরীর। দিনের বাকিটা সময়ও এক অবস্থা। অতিরিক্ত গরমের কারণে রাতের ঘুমেও ব্যাঘাত ঘটছে। দিনের বেলায় ঘর থেকে বের হলে তো কথাই নেই, এমনকি ঘরেও টেকা যাচ্ছে না ভ্যাপসা গরমে। যারা জীবিকার তাগিদে মাঠে-ময়দানে কাজ করছেন তারা আরও কাহিল। সব মিলিয়ে তীব্র গরমে জনজীবনে হাঁসফাঁস অবস্থা বিরাজ করছে। আজ বুধবার (৩ জুন) ঢাকাসহ দেশের অন্তত ৪৫টি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এ তাপপ্রবাহ আগামীকাল বৃহস্পতিবারও অব্যাহত থাকতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান জাগো নিউজকে এমন তথ্যই জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বর্তমানে রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও ঢাকা বিভাগে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। চট্টগ্রাম বিভাগের ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর ও নোয়াখালী জেলাও তাপপ্রবাহের আওতায় রয়েছে। হাফিজুর রহমান জানান, আগামীকাল বৃহস্পতিবার কিছু জেলা থেকে তাপপ্রবাহের আওতা কিছুটা কমে আসবে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী আরও দুদিন তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। তবে কোথাও কোথাও বৃষ্টিপাত হলেও তাৎক্ষণিকভাবে গরম পুরোপুরি কমার সম্ভাবনা নেই। এদিকে গত সোমবার আবহাওয়া অধিদপ্

ঢাকাসহ ৪৫ জেলায় বইছে তাপপ্রবাহ, গরমে কাহিল মানুষ

সকালের সূর্য পূব আকাশে উঁকি দেওয়ার আগেই ঘামছে শরীর। দিনের বাকিটা সময়ও এক অবস্থা। অতিরিক্ত গরমের কারণে রাতের ঘুমেও ব্যাঘাত ঘটছে। দিনের বেলায় ঘর থেকে বের হলে তো কথাই নেই, এমনকি ঘরেও টেকা যাচ্ছে না ভ্যাপসা গরমে। যারা জীবিকার তাগিদে মাঠে-ময়দানে কাজ করছেন তারা আরও কাহিল। সব মিলিয়ে তীব্র গরমে জনজীবনে হাঁসফাঁস অবস্থা বিরাজ করছে।

আজ বুধবার (৩ জুন) ঢাকাসহ দেশের অন্তত ৪৫টি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এ তাপপ্রবাহ আগামীকাল বৃহস্পতিবারও অব্যাহত থাকতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান জাগো নিউজকে এমন তথ্যই জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, বর্তমানে রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও ঢাকা বিভাগে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। চট্টগ্রাম বিভাগের ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর ও নোয়াখালী জেলাও তাপপ্রবাহের আওতায় রয়েছে।

হাফিজুর রহমান জানান, আগামীকাল বৃহস্পতিবার কিছু জেলা থেকে তাপপ্রবাহের আওতা কিছুটা কমে আসবে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী আরও দুদিন তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। তবে কোথাও কোথাও বৃষ্টিপাত হলেও তাৎক্ষণিকভাবে গরম পুরোপুরি কমার সম্ভাবনা নেই।

এদিকে গত সোমবার আবহাওয়া অধিদপ্তর জুন মাসের আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিয়ে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, জুনে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত হতে পারে। এ মাসে একাধিক লঘুচাপের সম্ভাবনা আছে। সেগুলোর মধ্যে একটি মৌসুমি নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে।

সাধারণত দেশে জুন মাসে গড় বৃষ্টিপাত হয় ৪৫৯ মিলিমিটার। এটি বছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের মাস। দেশে সবচেয়ে বেশি ৫২৩ মিলিমিটার গত বৃষ্টি হয় জুলাইয়ে।

এ বছর এপ্রিল ও মে মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে। এপ্রিলকে দেশের সবচেয়ে গরমের মাস ধরা হয়। মাসটিতে ৭৫ শতাংশের বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা খুব অস্বাভাবিক। এপ্রিলের বৃষ্টিতে বিশেষত হাওরাঞ্চলে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। 

আরএএস/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow