ঢাকায় নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবনের ছাদ থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর খিলগাঁওয়ের উত্তর নন্দীপাড়া এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে মো. আরিফ সরদার (২২) নামে এক নির্মাণশ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৫ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে উত্তর নন্দীপাড়া ৬ নম্বর রোডের ২২/৬৮ নম্বর নূর টাওয়ারের পাশে নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবনের ছাদের নামাজের কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। খিলগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাদের নামাজের কক্ষে সিলিং ফ্যানের হুকের সঙ্গে কালো রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় আরিফের মরদেহ পাওয়া যায়। তিনি বলেন, স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে- আরিফ ওই ভবনে নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। কী কারণে তিনি গলায় ফাঁস দিয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। আরও পড়ুন বাসার ছাদে টবে পানি দেওয়ার সময় নিচে পড়ে নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু ভবনটির কেয়ারটেকার মো. ইছার আলী বলেন, আরিফ পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিল। সকালে তাকে ভবনের নিচতলা থেকে ওপরে

ঢাকায় নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবনের ছাদ থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর খিলগাঁওয়ের উত্তর নন্দীপাড়া এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে মো. আরিফ সরদার (২২) নামে এক নির্মাণশ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (৫ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে উত্তর নন্দীপাড়া ৬ নম্বর রোডের ২২/৬৮ নম্বর নূর টাওয়ারের পাশে নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবনের ছাদের নামাজের কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

খিলগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাদের নামাজের কক্ষে সিলিং ফ্যানের হুকের সঙ্গে কালো রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় আরিফের মরদেহ পাওয়া যায়।

তিনি বলেন, স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে- আরিফ ওই ভবনে নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। কী কারণে তিনি গলায় ফাঁস দিয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ভবনটির কেয়ারটেকার মো. ইছার আলী বলেন, আরিফ পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিল। সকালে তাকে ভবনের নিচতলা থেকে ওপরের দিকে উঠতে দেখি। কিছুক্ষণ পর ছাদের নামাজের কক্ষের দিক থেকে চিৎকার শুনে সেখানে গিয়ে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাই। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।

তিনি আরও বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে আরিফ মানসিকভাবে বিষণ্ন ও অমনোযোগী হয়ে বসে থাকতো। আমাদের সঙ্গে তেমন একটা কথা বলতো না। তবে কী কারণে সে আত্মহত্যা করেছে, এ বিষয়ে আমরা বলতে পারবো না।

নিহত আরিফ সরদারের বাড়ি জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার পোড়ারচর সরদারপাড়া এলাকায়। বাবার নাম আলম সরদার। বর্তমানে রাজধানীর সবুজবাগের মানিকদিয়া চেয়ারম্যানবাড়ি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

কেএজেডআই/বিএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow