ঢাকায় পৌঁছালেন বাংলাদেশের নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন ও তার স্ত্রী ডিয়ান ডাও ঢাকায় পৌঁছেছেন। আগে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে অন্য দায়িত্ব পালন করলেও এবার রাষ্ট্রদূত হিসেবে পথচলা শুরু করছেন। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। কূটনৈতিক সূত্র জানায়, চলতি সপ্তাহেই পরিচয়পত্র পেশের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকায় কূটনৈতিক মিশন শুরু করবেন ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। এ লক্ষ্যে আগামী দুদিন তিনি পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম এবং রাষ্ট্রাচার অনুবিভাগের প্রধান নূরুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করবেন। আগামী বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয়পত্র পেশ করবেন। এর আগে গত ৯ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরে শপথ গ্রহণ করেন বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের ১৯তম রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। দেশটির ব্যবস্থাপনা ও সম্পদ বিষয়ক উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইকেল জে. রিগাস তাকে শপথ পাঠ করান। শপথ শেষে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানায়। অনুভূত

ঢাকায় পৌঁছালেন বাংলাদেশের নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন ও তার স্ত্রী ডিয়ান ডাও ঢাকায় পৌঁছেছেন। আগে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে অন্য দায়িত্ব পালন করলেও এবার রাষ্ট্রদূত হিসেবে পথচলা শুরু করছেন।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

কূটনৈতিক সূত্র জানায়, চলতি সপ্তাহেই পরিচয়পত্র পেশের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকায় কূটনৈতিক মিশন শুরু করবেন ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। এ লক্ষ্যে আগামী দুদিন তিনি পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম এবং রাষ্ট্রাচার অনুবিভাগের প্রধান নূরুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

আগামী বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয়পত্র পেশ করবেন।

এর আগে গত ৯ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরে শপথ গ্রহণ করেন বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের ১৯তম রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। দেশটির ব্যবস্থাপনা ও সম্পদ বিষয়ক উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইকেল জে. রিগাস তাকে শপথ পাঠ করান। শপথ শেষে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানায়।

অনুভূতি প্রকাশ করে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারা আমার জন্য সম্মানের বিষয়। বাংলাদেশের সঙ্গে আমি খুব ভালোভাবে পরিচিত। সেই বাংলাদেশে আবার ফিরতে পেরে আমি ভীষণ আনন্দিত। আমি দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আরও দৃঢ় করে আঞ্চলিক শান্তি ও সমৃদ্ধিকে এগিয়ে নিতে আগ্রহী। আমার স্ত্রী ও আমি এমন একটি দেশে ফিরে আসতে পেরে আনন্দিত, যে দেশের সঙ্গে আমাদের অনেক সুন্দর স্মৃতি জড়িয়ে আছে।

এর আগে ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ক কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ক্রিস্টেনসেন।

বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের ১৭তম রাষ্ট্রদূত হিসেবে ২০২২ সালের মার্চ থেকে ২০২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন পিটার হাস। ২০২৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে অবসরে যান পিটার হাস। তার অবর্তমানে এত দিন ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে শার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow