ঢাবিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর উৎসব উদযাপন

  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান সামাজিক উৎসব বিঝু-বৈসু-সাংগ্রাইসহ বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী উৎসব উদযাপিত হয়েছে। এবারের উৎসবের প্রতিপাদ্য- ‘উৎসবের বুননে ঋদ্ধ হোক আমাদের অধিকার’। রোববার (১২ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের জুম সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে ফুল নিবেদন, বর্ণাঢ্য র‌্যালি এবং ঐতিহ্যবাহী ‘পাজন’ পরিবেশনের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা। তিনি ফুল নিবেদন ও র‌্যালির উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সহ-সাধারণ সম্পাদক শান্তিময় চাকমা। বিশেষ অতিথি ছিলেন জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ দেবাশীষ পাল, হিল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কৃতি নিশান চাকমা এবং জগন্নাথ হল ছাত্র-সংসদের সাধারণ সম্পাদক সুদীপ্ত প্রামাণিকসহ অন্যরা। সায়মা হক বিদিশা বলেন, পাহাড় ও সমতল থেকে আগত আদিবাসী শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈচিত্র্য ও সৌন্দর্যকে সমৃদ্ধ করেছে। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে তাদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরি হয়।

ঢাবিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর উৎসব উদযাপন

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান সামাজিক উৎসব বিঝু-বৈসু-সাংগ্রাইসহ বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী উৎসব উদযাপিত হয়েছে। এবারের উৎসবের প্রতিপাদ্য- ‘উৎসবের বুননে ঋদ্ধ হোক আমাদের অধিকার’।

রোববার (১২ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের জুম সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে ফুল নিবেদন, বর্ণাঢ্য র‌্যালি এবং ঐতিহ্যবাহী ‘পাজন’ পরিবেশনের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা। তিনি ফুল নিবেদন ও র‌্যালির উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সহ-সাধারণ সম্পাদক শান্তিময় চাকমা।

বিশেষ অতিথি ছিলেন জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ দেবাশীষ পাল, হিল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কৃতি নিশান চাকমা এবং জগন্নাথ হল ছাত্র-সংসদের সাধারণ সম্পাদক সুদীপ্ত প্রামাণিকসহ অন্যরা।

সায়মা হক বিদিশা বলেন, পাহাড় ও সমতল থেকে আগত আদিবাসী শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈচিত্র্য ও সৌন্দর্যকে সমৃদ্ধ করেছে। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে তাদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরি হয়। ভবিষ্যতে এ উৎসব উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ছুটি দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দেন তিনি।

দেবাশীষ পাল বলেন, উৎসবের দিনগুলোতে ছুটি না থাকায় আদিবাসী শিক্ষার্থীদের পরিবার থেকে দূরে থাকতে হয়, যা দুঃখজনক। 

কৃতি নিশান চাকমা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এ উৎসব উপলক্ষে ছুটির দাবি জানানো হলেও তা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।

এ আয়োজনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত পাহাড়ি ও জুম্ম শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে দিনব্যাপী উৎসবটি আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হয়।

এফএআর/জেএইচ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow