তথ্য অধিকারের পাশাপাশি অপতথ্য রোধও সমান গুরুত্বপূর্ণ : তথ্যমন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হলো জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিস্তার রোধ করে জনগণকে সুরক্ষা দেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ। রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘তথ্য অধিকার ফোরাম’-এর কোর গ্রুপের সদস্যদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, জাতীয় সংসদে তথ্য অধিকার আইন সংশোধন অধ্যাদেশ স্থগিত রাখার পেছনে সুনির্দিষ্ট কিছু কারণ রয়েছে। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে তথ্যের অবাধ প্রবাহের কারণে অপতথ্যের প্রচারও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই তথ্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি এর দায়িত্বশীল ব্যবহারের বিষয়টিও আমাদের গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে।’ শুধু তথ্যের প্রবাহ বাড়ালেই চলবে না মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, তথ্য অধিকার আইনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের মতামত ও সুপারিশ নিয়ে একটি কার্যকর আইন প্রণয়ন করা হবে। জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, “মোর ইনফরমেশন, মোর ট্রুথ”—এই ধারণাকে গুরুত্ব দিয়ে তথ্যের প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে তথ্য কমিশনের প্রাতিষ্ঠানি
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হলো জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিস্তার রোধ করে জনগণকে সুরক্ষা দেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘তথ্য অধিকার ফোরাম’-এর কোর গ্রুপের সদস্যদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, জাতীয় সংসদে তথ্য অধিকার আইন সংশোধন অধ্যাদেশ স্থগিত রাখার পেছনে সুনির্দিষ্ট কিছু কারণ রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘বর্তমানে তথ্যের অবাধ প্রবাহের কারণে অপতথ্যের প্রচারও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই তথ্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি এর দায়িত্বশীল ব্যবহারের বিষয়টিও আমাদের গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে।’
শুধু তথ্যের প্রবাহ বাড়ালেই চলবে না মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, তথ্য অধিকার আইনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের মতামত ও সুপারিশ নিয়ে একটি কার্যকর আইন প্রণয়ন করা হবে।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, “মোর ইনফরমেশন, মোর ট্রুথ”—এই ধারণাকে গুরুত্ব দিয়ে তথ্যের প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে তথ্য কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা রক্ষার বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি তথ্য যাচাই ও ফ্যাক্ট-চেকিং ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন এবং জানান, ভবিষ্যতের আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় সব অংশীজনকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। এছাড়া টিআইবি, সুজন, তথ্য কমিশন ও বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা তথ্য অধিকার আইনের সংস্কার ও কার্যকারিতা বাড়ানোর বিষয়ে মতামত দেন।
What's Your Reaction?