তথ্য চাইতে গিয়ে ব্যাংক কর্মকর্তার হাতে সাংবাদিক লাঞ্চিত
পঞ্চগড়ের সদর উপজেলার রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের সেকেন্ড অফিসার ফরিদুল ইসলাম সুজনের বিরুদ্ধে সাংবাদিক লাঞ্চনার অভিযোগ উঠেছে।
লাঞ্চিত হওয়া সাংবাদিক হচ্ছেন, পঞ্চগড় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় সাংবাদিক সাজ্জাদকে তথ্য সংগ্রহে বাধা এবং ভিডিও বক্তব্য ধারণ করতে নিষেধসহ অশালীন আচরণ করা হয়। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী ব্যাংকটিতে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনা ঘটে। পরে হাড়িভাসা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খবর পেয়ে দুইজন ইউপি সদস্যসহ গ্রাম পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠালে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
জানা যায়, পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের বাসিন্দা হাজেরা খাতুন কিডনি রোগের আর্থিক সহযোগিতার চেক গত দশদিন আগে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের হাড়িভাসা শাখায় জমা দেন। পরে দীর্ঘদিন পার হলেও টাকা উত্তোলন করতে না পারায় বিষয়টি পঞ্চগড় সোনার বাংলা ফাউন্ডেশনের কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টারের ম্যানেজার আরিফুর রহমান আরিফ ও সাংবাদিক সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদকে জানান তিনি।
পরে তারা মঙ্গলবার দুপুরে হাড়িভাসা কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকে খোঁজ নিতে যান। ব্যাংকে প্রবেশ করে ওই শাখার ম্যা
পঞ্চগড়ের সদর উপজেলার রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের সেকেন্ড অফিসার ফরিদুল ইসলাম সুজনের বিরুদ্ধে সাংবাদিক লাঞ্চনার অভিযোগ উঠেছে।
লাঞ্চিত হওয়া সাংবাদিক হচ্ছেন, পঞ্চগড় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় সাংবাদিক সাজ্জাদকে তথ্য সংগ্রহে বাধা এবং ভিডিও বক্তব্য ধারণ করতে নিষেধসহ অশালীন আচরণ করা হয়। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী ব্যাংকটিতে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনা ঘটে। পরে হাড়িভাসা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খবর পেয়ে দুইজন ইউপি সদস্যসহ গ্রাম পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠালে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
জানা যায়, পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের বাসিন্দা হাজেরা খাতুন কিডনি রোগের আর্থিক সহযোগিতার চেক গত দশদিন আগে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের হাড়িভাসা শাখায় জমা দেন। পরে দীর্ঘদিন পার হলেও টাকা উত্তোলন করতে না পারায় বিষয়টি পঞ্চগড় সোনার বাংলা ফাউন্ডেশনের কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টারের ম্যানেজার আরিফুর রহমান আরিফ ও সাংবাদিক সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদকে জানান তিনি।
পরে তারা মঙ্গলবার দুপুরে হাড়িভাসা কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকে খোঁজ নিতে যান। ব্যাংকে প্রবেশ করে ওই শাখার ম্যানেজার জোতির্ময় রায়ের সাথে কথা বলে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করছিলেন সাংবাদিক সাজ্জাদ। একপর্যায়ে ওই ম্যানেজারের অনুমতি নিয়ে ভিডিও বক্তব্য নিচ্ছিলেন তিনি। এ সময় ব্যাংকের সেকেন্ড অফিসার ফরিদুল ইসলাম সুজন আচমকা এসে ভিডিও রেকর্ড বন্ধ করার হুমকি দেন। সেইসঙ্গে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ব্যাংকের কর্মচারীদের দরজায় তালা বন্ধ করতে বলেন।
ব্যাংকটির সেবা গ্রহীতাদের বের করে দিয়ে ওই দুইজনকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। পরে গ্রাম পুলিশসহ হাড়িভাষা ইউনিয়ন পরিষদের দুইজন ইউপি সদস্য জুলহাস এবং গোবিন্দ্র চন্দ্র ব্যাংকে প্রবেশ করলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। পরে তারা সাংবাদিক সাজ্জাদ ও পঞ্চগড় সোনার বাংলা ফাউন্ডেশনের কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টারের ম্যানেজার আরিফুর রহমান আরিফকে মুক্ত করে ব্যাংক থেকে বের হয়ে যেতে সাহায্য করেন।
সাংবাদিক সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ বলেন, আমি হাজেরা খাতুনের চেক জমা দেওয়া ও টাকা না পাওয়া নিয়ে ম্যানেজারের কাছে তথ্য নিতে যাই। এ সময় তিনি আমাকে ভিডিও বক্তব্য দিচ্ছিলেন। হঠাৎই সেকেন্ড ম্যানেজার এসে অর্তকিতভাবে বলেন, দরজা বন্ধ করো, বেটাকে ধরো। এ সময় তিনি অশালীন ভাষায় আমাকে গালিগালাজ করেন। মারধরের হুমকি দেন। পরে স্থানীয় চেয়ারম্যান ইউপি সদস্যদের পাঠালে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। পরে আমরা চলে আসি। কিন্তু ব্যাংক কর্মকর্তার এমন আচরণ মোটেও কাম্য নয়। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
তবে এ বিষয়ে জানতে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক হাড়িভাসা ইউনিয়ন শাখার ম্যানেজার জোতির্ময় রায় ও সেকেন্ড অফিসার ফরিদুল ইসলাম সুজনের মোবাইলে কল দিলেও সেটি রিসিভ হয়নি।
হাড়িভাষা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাইয়েদ নূর-ই আলম বলেন, দুপুরের দিকে আমার মোবাইলে খবর আসে কৃষি ব্যাংকে গোলমাল। পরে দুইজন ইউপি সদস্যসহ গ্রাম পুলিশ পাঠাই। সাংবাদিক তথ্য নিতে এসেছিল। সাংবাদিককে ভেতরে রেখে দরজা বন্ধ করার ঘটনাও ঘটে এমনটা জেনেছি। তবে এটি খুবই দুঃখজনক।
রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের পঞ্চগড় জোনের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজোর শেখ মুক্তারুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। সরেজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।