তামিম বিতর্কে অবস্থান পরিষ্কার করল কোয়াব
বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্কে এবার আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাল ক্রিকেটারদের সংগঠন ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে দেশের ক্রিকেট অঙ্গনে যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, সে বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে সংগঠনটি।
বিশ্বকাপ ইস্যুতে তামিমের মন্তব্যের পর বিসিবির পরিচালক এম. নাজমুল ইসলাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়ে তাকে ‘ভারতীয় দালাল’ বলে উল্লেখ করেন। সেই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দিনভর একাধিক জাতীয় দলের ক্রিকেটার—রুবেল হোসেন, শামসুর রহমান ও তাসকিন আহমেদ—নিজ নিজ অবস্থান সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরেন।
এর ধারাবাহিকতায় সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন। তিনি বলেন, কোয়াবের মূল দায়িত্ব হলো ক্রিকেটারদের স্বার্থ সংরক্ষণ করা। তার অভিযোগ, খেলোয়াড়দের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কোনো বিষয়ে কথা উঠলেই সেটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হয়।
মিঠুনের ভাষায়, “ক্রিকেটাররা যখন ভবিষ্যৎ ও পেশাগত স্বার্থের কথা
বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্কে এবার আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাল ক্রিকেটারদের সংগঠন ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে দেশের ক্রিকেট অঙ্গনে যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, সে বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে সংগঠনটি।
বিশ্বকাপ ইস্যুতে তামিমের মন্তব্যের পর বিসিবির পরিচালক এম. নাজমুল ইসলাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়ে তাকে ‘ভারতীয় দালাল’ বলে উল্লেখ করেন। সেই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দিনভর একাধিক জাতীয় দলের ক্রিকেটার—রুবেল হোসেন, শামসুর রহমান ও তাসকিন আহমেদ—নিজ নিজ অবস্থান সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরেন।
এর ধারাবাহিকতায় সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন। তিনি বলেন, কোয়াবের মূল দায়িত্ব হলো ক্রিকেটারদের স্বার্থ সংরক্ষণ করা। তার অভিযোগ, খেলোয়াড়দের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কোনো বিষয়ে কথা উঠলেই সেটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হয়।
মিঠুনের ভাষায়, “ক্রিকেটাররা যখন ভবিষ্যৎ ও পেশাগত স্বার্থের কথা বলেন, তখন সেটিকে অন্যভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। এতে সমস্যার মূল জায়গা আড়ালে চলে যাচ্ছে।”
এর আগে এক অনুষ্ঠানে তামিম ইকবাল বলেছিলেন, দর্শকরা আবেগের বশে অনেক কিছু বলতে পারেন, কিন্তু সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে আবেগ নয়—দূরদর্শিতাই হওয়া উচিত মুখ্য। তাঁর মতে, আজ নেওয়া একটি সিদ্ধান্ত আগামী এক দশকে বাংলাদেশের ক্রিকেট ও ক্রিকেটারদের ওপর কী প্রভাব ফেলবে, সেটি ভেবেই বড় সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
তামিম আরও জোর দিয়ে বলেন, যে সিদ্ধান্তই হোক না কেন, দেশের ক্রিকেটের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া উচিত নয়, যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিতে পারে।
কোয়াবের এই বক্তব্যের মাধ্যমে স্পষ্ট হলো—সংগঠনটি চায় বিতর্কের বাইরে গিয়ে ক্রিকেটারদের পেশাগত নিরাপত্তা ও দেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে মূল আলোচনায় ফিরে যেতে।