তারুণ্যের উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

তারুণ্যের উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেসরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শনিবার (১১ জুলাই) বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শুক্রবার (১০ জুলাই) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। বাংলাদেশ বিশ্বের একটি অন্যতম জনবহুল দেশ। যার এক-তৃতীয়াংশই তরুণ প্রজন্ম। তারাই দেশের ভবিষ্যৎ ও প্রধান চালিকাশক্তি।’ ‘রাষ্ট্রের কাছে নতুন প্রজন্মের চাওয়া হচ্ছে তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ হবে, নিশ্চিত হবে সবার ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক ভাগ্যোন্নয়নের সুযোগ। দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করা গেলে নতুন প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা যেমন পূরণ হবে, পাশাপাশি নিশ্চিত হবে সমৃদ্ধ আগামীর স্বপ্ন। এ প্রেক্ষাপটে দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি’ সময়োপযোগী ও যথার্থ হয়েছে বলে আমি মনে করি,’ যোগ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি জানান, বর্তমান সরকার দেশের যুব ও তরুণ প্রজন্মকে সুশিক্

তারুণ্যের উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

তারুণ্যের উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেসরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

শনিবার (১১ জুলাই) বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শুক্রবার (১০ জুলাই) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। বাংলাদেশ বিশ্বের একটি অন্যতম জনবহুল দেশ। যার এক-তৃতীয়াংশই তরুণ প্রজন্ম। তারাই দেশের ভবিষ্যৎ ও প্রধান চালিকাশক্তি।’

‘রাষ্ট্রের কাছে নতুন প্রজন্মের চাওয়া হচ্ছে তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ হবে, নিশ্চিত হবে সবার ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক ভাগ্যোন্নয়নের সুযোগ। দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করা গেলে নতুন প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা যেমন পূরণ হবে, পাশাপাশি নিশ্চিত হবে সমৃদ্ধ আগামীর স্বপ্ন। এ প্রেক্ষাপটে দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি’ সময়োপযোগী ও যথার্থ হয়েছে বলে আমি মনে করি,’ যোগ করেন রাষ্ট্রপতি।

তিনি জানান, বর্তমান সরকার দেশের যুব ও তরুণ প্রজন্মকে সুশিক্ষিত, দক্ষ, স্বাবলম্বী ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ। এ লক্ষ্যে সরকার দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক, কর্মমুখী ও উৎপাদনমুখী করতে নানা পরিকল্পনা নিয়েছে ও বাস্তবায়ন শুরু করেছে। যুবসমাজের সৃজনশীলতা ও নেতৃত্বের বিকাশ এবং ডিজিটাল প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে দক্ষ করে গড়ে তুলতে কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে দেওয়া হচ্ছে বিশেষ অগ্রাধিকার। একই সঙ্গে মাদক, বাল্যবিবাহ, সহিংসতাসহ নানা সামাজিক অবক্ষয় রোধে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সম্প্রসারণ এবং আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা হচ্ছে।

‘আমার বিশ্বাস, এসব উদ্যোগ নতুন প্রজন্মের বিকাশ ও জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক হবে। দেশের সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং টেকসই উন্নয়নের অন্যতম নিয়ামক হিসেবে ভূমিকা রাখবে,’ বলেন রাষ্ট্রপতি।

তিনি উল্লেখ করেন, নাগরিক সুস্বাস্থ্য ও পরিকল্পিত পরিবার একটি সুস্থ ও কর্মক্ষম জাতি এবং টেকসই আর্থসামাজিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত। এই প্রেক্ষাপটে সরকার দেশের স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নেও ব্যাপকভিত্তিক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। তরুণ প্রজন্মকে প্রকৃত মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা, মা-শিশু স্বাস্থ্য, প্রজনন স্বাস্থ্য ও বয়ঃসন্ধিকালীন স্বাস্থ্য সেবাকে আরও কার্যকর ও সর্বজনীন করে তুলতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে যথাযথ ভূমিকা রাখতে হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘তারুণ্যের উন্নয়নে আমি সরকারের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেসরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান জানাই। দেশের বিদ্যমান স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামোগুলোর সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত এবং মানসম্মত পরিবার পরিকল্পনা, মা-শিশু স্বাস্থ্য ও কৈশোরকালীন স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে- এ প্রত্যাশা করি। আমি বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে নেওয়া সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করছি।’

একিউএফ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow