তারেক রহমানকে ৯ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনের চিঠি
মানবাধিকার ইস্যুতে বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে চিঠি লিখেছে আন্তর্জাতিক একাধিক মানবাধিকার সংস্থা।
সোমবার (১৬ মার্চ) হিউমান রাইটস ওয়াচ, অ্যামিনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, ফর্টিফাই রাইটস, আর্টিকেল নাইনটিন, সিপেজি, সিভিকাসসহ ৯টি সংগঠন এ চিঠি লিখেছে। তাদের পক্ষ থেকে একই চিঠি দেওয়া হয়েছে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকেও।
চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার দল বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারের সামনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো মনে করছে, এই সময়টি দেশে মানবাধিকার সুরক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার বাস্তবায়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে জোরপূর্বক গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাসহ নানা ধরনের গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছিল। তার পতনের পর এসব ঘটনার অনেকটা কমে এলেও অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ইচ্ছামতো আটক এবং সাংবাদিক, ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলার মতো ঘটনা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।
মানবাধিকার ইস্যুতে বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে চিঠি লিখেছে আন্তর্জাতিক একাধিক মানবাধিকার সংস্থা।
সোমবার (১৬ মার্চ) হিউমান রাইটস ওয়াচ, অ্যামিনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, ফর্টিফাই রাইটস, আর্টিকেল নাইনটিন, সিপেজি, সিভিকাসসহ ৯টি সংগঠন এ চিঠি লিখেছে। তাদের পক্ষ থেকে একই চিঠি দেওয়া হয়েছে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকেও।
চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার দল বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারের সামনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো মনে করছে, এই সময়টি দেশে মানবাধিকার সুরক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার বাস্তবায়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে জোরপূর্বক গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাসহ নানা ধরনের গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছিল। তার পতনের পর এসব ঘটনার অনেকটা কমে এলেও অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ইচ্ছামতো আটক এবং সাংবাদিক, ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলার মতো ঘটনা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীর অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠন করারও আহ্বান জানানো হয়েছে।
চিঠিতে মানবাধিকার সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় নীতিগত পদক্ষেপ ও আইনগত সংস্কারের জন্য কয়েকটি নির্দিষ্ট সুপারিশও দেওয়া হয়েছে।