তিন প্রধান লক্ষ্যে সারাদেশে শুরু হচ্ছে যৌথবাহিনীর অভিযান

নির্বাচনকে সামনে রেখে সারা দেশে যৌথবাহিনীর অভিযান শুরু হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। রোববার কক্সবাজারে জেলা প্রশাসনের আয়োজিত এক সভায় তিনি আগাম এই তথ্য দেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আজকের মধ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করা হবে। ওই পরিপত্রে অভিযানের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো উল্লেখ থাকবে বলেও তিনি জানান। তিনি বলেন, এখন থেকে সারা দেশে যৌথবাহিনীর অপারেশন শুরু হবে। এ বিষয়ে সকল বাহিনী প্রধানকে নিয়ে ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সব হেডকোয়ার্টার বিষয়টি অবগত রয়েছে। যৌথবাহিনীর অভিযানের তিনটি প্রধান লক্ষ্য থাকবে। প্রথমত, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেসব অবৈধ অস্ত্রের সরবরাহ রয়েছে, সেগুলো উদ্ধার করা হবে। যেগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হবে না, সেগুলো যেন কোনো ধরনের অপকর্মে ব্যবহৃত না হয়, সে বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, দুই নম্বর বিষয় হচ্ছে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদেরকে গ্রেফতার এবং আইনের আওতায় নিয়ে আসা। আর তিনে নির্বাচনকেন্দ্রিক দল এবং প্রার্থীর যে আচরণবিধি আছে, সেই আচরণবিধির

তিন প্রধান লক্ষ্যে সারাদেশে শুরু হচ্ছে যৌথবাহিনীর অভিযান

নির্বাচনকে সামনে রেখে সারা দেশে যৌথবাহিনীর অভিযান শুরু হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। রোববার কক্সবাজারে জেলা প্রশাসনের আয়োজিত এক সভায় তিনি আগাম এই তথ্য দেন।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আজকের মধ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করা হবে। ওই পরিপত্রে অভিযানের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো উল্লেখ থাকবে বলেও তিনি জানান।

তিনি বলেন, এখন থেকে সারা দেশে যৌথবাহিনীর অপারেশন শুরু হবে। এ বিষয়ে সকল বাহিনী প্রধানকে নিয়ে ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সব হেডকোয়ার্টার বিষয়টি অবগত রয়েছে।

যৌথবাহিনীর অভিযানের তিনটি প্রধান লক্ষ্য থাকবে। প্রথমত, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেসব অবৈধ অস্ত্রের সরবরাহ রয়েছে, সেগুলো উদ্ধার করা হবে। যেগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হবে না, সেগুলো যেন কোনো ধরনের অপকর্মে ব্যবহৃত না হয়, সে বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, দুই নম্বর বিষয় হচ্ছে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদেরকে গ্রেফতার এবং আইনের আওতায় নিয়ে আসা। আর তিনে নির্বাচনকেন্দ্রিক দল এবং প্রার্থীর যে আচরণবিধি আছে, সেই আচরণবিধির বড় কোন ব্যত্যয় ঘটলে তা যৌথবাহিনী দেখবে। ছোটখাটো ব্যত্যয় রুটিন যেসব কমিটি আছে তারা দেখবে বলেও জানান তিনি।

রেহিঙ্গাদের বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক করেন ইসি সানাউল্লাহ। বলেন, ক্যাম্পগুলো সিল করে দিতে হবে। স্থল সীমান্ত ও সাগরপথেও নজরদারি বাড়াতে হবে। যাতে কোনোভাবেই দুষ্কৃতিকারীরা এগুলো ব্যবহার করে অপরাধ সংঘটিত করতে না পারে। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow