তিন মাস ধরে ৯ শতাংশের ওপরে মূল্যস্ফীতি, বিপাকে সীমিত আয়ের মানুষ

  ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি কমিয়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। প্রস্তাবিত বাজেট কৌশলের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা হয়েছে মূল্যস্ফীতি। অথচ বাজেট পেশের মাসে অর্থাৎ জুনে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ। তবে টানা তিন মাস ধরে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ওপরে। ফলে নিত্যপণ্য কিনতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন সীমিত আয়ের মানুষ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ হিসাবে, গত মে মাসে ছিল ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ, যা ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের পরে, অর্থাৎ ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি। এছাড়া টানা দুই মাস ধরে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের বেশি আছে। তার মানে গত বছরের জুনে যে পণ্যের দাম ১০০ টাকা ছিল এক বছরের ব্যবধানে একই পণ্যের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৯ টাকা ১৬ পয়সা। চাল, ডাল, তেল, লবন, মাছ, মাংস, সবজি, ডিম, দুধ কিনতে হিমশিম খাচ্ছে দেশবাসী। আরও পড়ুন নীতি সুদহার: ব্যাংক ঋণ ও মূল্যস্ফীতিতে এর প্রভাব পড়বে কীভাবে? সোমবার (৬ জুলাই) জুন মাসের মূল্যস্ফীতির চিত্র প্রকাশ করেছে বিবিএস। তবে খাদ্য-বহির্ভূত পণ্যের দাম কিছুটা কমে ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ হয়েছে, যা গত মাসে ছিল ৯ দশমিক ৭১

তিন মাস ধরে ৯ শতাংশের ওপরে মূল্যস্ফীতি, বিপাকে সীমিত আয়ের মানুষ

 

২০২৬-২৭ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি কমিয়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। প্রস্তাবিত বাজেট কৌশলের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা হয়েছে মূল্যস্ফীতি। অথচ বাজেট পেশের মাসে অর্থাৎ জুনে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ।

তবে টানা তিন মাস ধরে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ওপরে। ফলে নিত্যপণ্য কিনতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন সীমিত আয়ের মানুষ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ হিসাবে, গত মে মাসে ছিল ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ, যা ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের পরে, অর্থাৎ ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি। এছাড়া টানা দুই মাস ধরে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের বেশি আছে। তার মানে গত বছরের জুনে যে পণ্যের দাম ১০০ টাকা ছিল এক বছরের ব্যবধানে একই পণ্যের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৯ টাকা ১৬ পয়সা। চাল, ডাল, তেল, লবন, মাছ, মাংস, সবজি, ডিম, দুধ কিনতে হিমশিম খাচ্ছে দেশবাসী।

সোমবার (৬ জুলাই) জুন মাসের মূল্যস্ফীতির চিত্র প্রকাশ করেছে বিবিএস। তবে খাদ্য-বহির্ভূত পণ্যের দাম কিছুটা কমে ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ হয়েছে, যা গত মাসে ছিল ৯ দশমিক ৭১ শতাংশ। খাদ্যপণ্যের দাম জুনে ৮ দশমিক ৬০ শতাংশ হয়েছে, যা গত মাসে ছিল ৯ দশমিক ০৬ শতাংশ। তবে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ওপরে।

গত এপ্রিল ও মে মাসে দুই দফা জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। মে মাসের শেষ সপ্তাহে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। ফলে মূল্যস্ফীতির চাপ বেড়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। তাদের মতে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হলে জীবনযাত্রার ওপর প্রভাব পড়ে। জীবনযাত্রার খরচ বাড়িয়ে দেয়। পরিবহন খরচ থেকে শুরু করে পণ্যের উৎপাদন খরচ বাড়ায়। ফলে ভোক্তাদের আগের চেয়ে বেশি দামে পণ্য কিনতে হয়।

মূল্যস্ফীতি বাড়লে সীমিত ও মধ্য আয়ের মানুষের কেনা-কাটার কষ্ট বাড়ে। আয় না বাড়লে সংসার চালানোর খরচ বেড়ে যায়। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পণ্য পরিবহনের খরচ বেড়েছে। ফলে বাজারে শাকসবজি, মাছ-মাংসের দাম বেড়েছে।

তবে দাম বাড়লেও যদি মজুরি বাড়ে তাহলে কেনাকাটায় সমস্যা হয় না মানুষের। বরং মজুরি হার কমেছে। চলতি বছরের জুনে মজুরি হার কমে ৮ দশমিক ১৮ শতাংশ হয়েছে, গত মাসে যা ছিল ৮ দশমিক ২১ শতাংশ। ফলে বাজার থেকে পণ্য কিনতে ভোগান্তি বাড়ছে।

গ্রামের থেকে শহরের মূল্যস্ফীতি কম। গ্রামে জুনে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার ৯ দশমিক ২৩ শতাংশ অথচ শহরে মাত্র ৯ দশমিক ০১ শতাংশ।

এমওএস/ইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow