তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
ভারতের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলে পানি ঢুকে ফসলের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাত ৯টায় তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ১৮ মিটার, যা বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে সন্ধ্যা ৬টায় পানির স্তর বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচে ছিল। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উজানের চাপ সামাল দিতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গড্ডিমারী, দোয়ানী, সানিয়াজান, সিঙ্গিমারী, সিন্দুর্না ও ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়নের তিস্তা তীরবর্তী চরাঞ্চলের বাদামক্ষেত, ধানের বীজতলা, মিষ্টিকুমড়াসহ বিভিন্ন কৃষিজমিতে ইতোমধ্যে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। তিস্তার ডালিয়া পয়েন্টের পানি পরিমাপক নুরুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই নদীর পানি বাড়তে শুরু করে। রাত ৯টায় তা বিপদসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, তিস্তার পানি বিপ
ভারতের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলে পানি ঢুকে ফসলের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাত ৯টায় তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ১৮ মিটার, যা বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে সন্ধ্যা ৬টায় পানির স্তর বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচে ছিল।
পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উজানের চাপ সামাল দিতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গড্ডিমারী, দোয়ানী, সানিয়াজান, সিঙ্গিমারী, সিন্দুর্না ও ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়নের তিস্তা তীরবর্তী চরাঞ্চলের বাদামক্ষেত, ধানের বীজতলা, মিষ্টিকুমড়াসহ বিভিন্ন কৃষিজমিতে ইতোমধ্যে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে।
তিস্তার ডালিয়া পয়েন্টের পানি পরিমাপক নুরুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই নদীর পানি বাড়তে শুরু করে। রাত ৯টায় তা বিপদসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, তিস্তার পানি বিপদসীমা অতিক্রম করায় ব্যারাজের সবগুলো, অর্থাৎ ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে। নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
What's Your Reaction?