তিস্তায় বেড়েছে পানি, পশ্চিমবঙ্গে হলুদ সতর্কতা জারি

কয়েকদিন ধরে পাহাড় এবং সমতলের বৃষ্টিতে পশ্চিমবঙ্গের উত্তরবঙ্গে বেশ কয়েকটি জেলা বিপর্যস্ত। লাগাতার বৃষ্টির কারণে জলপাইগুড়ির তিস্তা ও জলঢাকা নদীর পানিস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে তিস্তা নদীর অসংরক্ষিত এলাকায় হলুদ সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। এনএইচ-৩১ সংলগ্ন জলঢাকা নদীর পানিস্তর বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে জলঢাকা নদীর ওপর লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে গজলডোবা ও কালিঝোড়া ব্যারেজ থেকে কয়েক ঘণ্টায় বিপুল পরিমাণে পানি ছাড়া হচ্ছে। যার কারণে নদীসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ বাড়ছে। সেচ দফতর সূত্রে জানা গেছে, এরই মধ্যে গজলডোবা ব্যারেজ থেকে ১ হাজার ১৯৫ কিউসেক এবং কালিঝোড়া ব্যারেজ থেকে ১ হাজার ১৫৪ কিউসেক পানি ছাড়া হয়েছে। তিস্তা নদীর আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের যে কোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। এছাড়াও সমস্ত পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রেখেছে প্রশাসন। মরিচবাড়ি এলাকার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ সরকার জানিয়েছেন, চলতি বছরে এই প্রথম তিস্তা নদীর পানি এত বেশি বেড়েছে। নদীর মাঝখানে থাকা একাধিক চর পানির নিচে তলিয়ে গেছে। অন্

তিস্তায় বেড়েছে পানি, পশ্চিমবঙ্গে হলুদ সতর্কতা জারি

কয়েকদিন ধরে পাহাড় এবং সমতলের বৃষ্টিতে পশ্চিমবঙ্গের উত্তরবঙ্গে বেশ কয়েকটি জেলা বিপর্যস্ত। লাগাতার বৃষ্টির কারণে জলপাইগুড়ির তিস্তা ও জলঢাকা নদীর পানিস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে তিস্তা নদীর অসংরক্ষিত এলাকায় হলুদ সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। এনএইচ-৩১ সংলগ্ন জলঢাকা নদীর পানিস্তর বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে জলঢাকা নদীর ওপর লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে গজলডোবা ও কালিঝোড়া ব্যারেজ থেকে কয়েক ঘণ্টায় বিপুল পরিমাণে পানি ছাড়া হচ্ছে। যার কারণে নদীসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ বাড়ছে।

সেচ দফতর সূত্রে জানা গেছে, এরই মধ্যে গজলডোবা ব্যারেজ থেকে ১ হাজার ১৯৫ কিউসেক এবং কালিঝোড়া ব্যারেজ থেকে ১ হাজার ১৫৪ কিউসেক পানি ছাড়া হয়েছে।

তিস্তা নদীর আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের যে কোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। এছাড়াও সমস্ত পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রেখেছে প্রশাসন।

মরিচবাড়ি এলাকার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ সরকার জানিয়েছেন, চলতি বছরে এই প্রথম তিস্তা নদীর পানি এত বেশি বেড়েছে। নদীর মাঝখানে থাকা একাধিক চর পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

অন্য এক স্থানীয় বাসিন্দা অরূপ বিশ্বাস জানিয়েছেন, প্রচুর পরিমাণে পানি বাড়ছে। চর যা ছিল সব ডুবে গেছে, চর দেখা যাচ্ছে না। এবারই প্রথম এমন দেখলাম। পানি বাড়লে বাঁধে ফাটলের একটা ভয় থাকছে।

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস, আগামী মঙ্গলবার (২৩ জুন) পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে তিস্তা নদী ও তার সংলগ্ন নদী এলাকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে প্রশাসন।

ডিডি/কেএএ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow