তীব্র শীতে বেড়েছে পিঠার চাহিদা
শীতের মৌসুমে নারায়ণগঞ্জে বেড়েছে শীতের পিঠার চাহিদা। শীত এলেই চলে বাঙালির ঘরে ঘরে পিঠা বানানো ও খাওয়ার ধুম। ভাপা পিঠা, পুলিপিঠা, নুনে পিঠা, চিতই পিঠা, আবার কেউ তৈরি করছেন পাটিসাপটা পিঠাসহ নানা ধরনের পিঠার তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন বেশিরভাগ দোকানি ও বসতবাড়ির নারীরা। ভুলতা এলাকার রীনা বেগম বলেন, শীত এলে পিঠা তৈরি করে না খেলে কী হয় নাকি। প্রতিবছরই শীতের দিনে নারিকেল দিয়ে ভাপা পিঠা, চাল দিয়ে চিতই পিঠা বানিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে পছন্দের পিঠা বানিয়ে খাওয়া ঐতিহ্য। প্রতিবারের মতো এবারও পিঠা বানাচ্ছি। নিপা পিঠা ঘরের পরিচালক নিপা বেগম বলেন, আমরা পূর্বাচলে সবসময় পিঠা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। তবে শীত এলে পিঠার চাহিদা বাড়ে সবসময়। রাজধানীর কাছাকাছি হওয়ায় রাজধানী ও তার আশপাশের লোকজন পিঠা খেতে ভিড় জমান আমাদের এখানে। গ্রাহকের চাহিদা মতো হাঁসের মাংস, গরুর মাংস, মুরগির মাংস দিয়ে পরিবেশন করা হয়। এতে আমাদেরও আয় হয়, গ্রাহকের চাহিদা পূরণ হয়। গোলাকান্দাইল এলাকার মানসুরা বেগম বলেন, ননদী ও তার স্বামী এসেছে বেড়াতে। এ উপলক্ষে পিঠা তৈরি করছি আমরা। চিতই পিঠা আর ভাপা পিঠা বানানো হচ্ছে। পরিবার নিয়ে একসঙ
শীতের মৌসুমে নারায়ণগঞ্জে বেড়েছে শীতের পিঠার চাহিদা। শীত এলেই চলে বাঙালির ঘরে ঘরে পিঠা বানানো ও খাওয়ার ধুম। ভাপা পিঠা, পুলিপিঠা, নুনে পিঠা, চিতই পিঠা, আবার কেউ তৈরি করছেন পাটিসাপটা পিঠাসহ নানা ধরনের পিঠার তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন বেশিরভাগ দোকানি ও বসতবাড়ির নারীরা।
ভুলতা এলাকার রীনা বেগম বলেন, শীত এলে পিঠা তৈরি করে না খেলে কী হয় নাকি। প্রতিবছরই শীতের দিনে নারিকেল দিয়ে ভাপা পিঠা, চাল দিয়ে চিতই পিঠা বানিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে পছন্দের পিঠা বানিয়ে খাওয়া ঐতিহ্য। প্রতিবারের মতো এবারও পিঠা বানাচ্ছি।
নিপা পিঠা ঘরের পরিচালক নিপা বেগম বলেন, আমরা পূর্বাচলে সবসময় পিঠা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। তবে শীত এলে পিঠার চাহিদা বাড়ে সবসময়। রাজধানীর কাছাকাছি হওয়ায় রাজধানী ও তার আশপাশের লোকজন পিঠা খেতে ভিড় জমান আমাদের এখানে। গ্রাহকের চাহিদা মতো হাঁসের মাংস, গরুর মাংস, মুরগির মাংস দিয়ে পরিবেশন করা হয়। এতে আমাদেরও আয় হয়, গ্রাহকের চাহিদা পূরণ হয়।
গোলাকান্দাইল এলাকার মানসুরা বেগম বলেন, ননদী ও তার স্বামী এসেছে বেড়াতে। এ উপলক্ষে পিঠা তৈরি করছি আমরা। চিতই পিঠা আর ভাপা পিঠা বানানো হচ্ছে। পরিবার নিয়ে একসঙ্গে পিঠা খাওয়ার মজাই আলাদা।
রাজধানীর উত্তরা থেকে আসা আলমগীর মিয়া বলেন, সময় পাওয়া যায় না বাড়িতে পিঠা বানানোর। তাই পূর্বাচলে পরিবার নিয়ে এসেছি পিঠা খেতে। হাঁসের মাংস আর চাপটি পিঠার স্বাদই আলাদা। খুব ভালো লাগল, সময়ও কাটালাম চাহিদাও পূরণ হলো।
রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলাম বলেন, বাঙালির ঐতিহ্য হলো শীতের পিঠা। উপজেলার পূর্বাচলে আলাদাভাবে পিঠার ব্যবসা পরিচালনা করছেন ওখানকার স্থানীয়রা। বিভিন্ন এলাকা থেকে আগতদের নিরাপত্তার জন্য আমরা পুলিশের টহল টিম নিয়োজিত করেছি।
What's Your Reaction?