তুচ্ছ ঘটনায় অ্যাসিড নিক্ষেপ, কিশোরসহ দগ্ধ ৩
নেত্রকোনার পূর্বধলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক কিশোরকে লক্ষ্য করে অ্যাসিড নিক্ষেপে তিনজন দগ্ধ হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রোববার (৫ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের শাহাবাজপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার ইয়ারন গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে শাকিল (১৭), তুলাবাইদ গ্রামের মৃত সমেশ আলীর ছেলে মো. সিরাজ ও একই ইউনিয়নের মৃত বিপিনের ছেলে গৌরাঙ্গ (৬০)। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শাহাবাজপুর বাজারে সাগর জুয়েলার্সের পাশের একটি কাপড়ের দোকানে অবস্থান করছিলেন শাকিল। এসময় সাগর জুয়েলার্সের মালিকের ভাই মো. শামীমের (১৮) সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে শামীম জুয়েলার্সের কাজে ব্যবহৃত অ্যাসিড শাকিলকে লক্ষ্য করে ছুড়ে মারেন বলে অভিযোগ। এতে শাকিলের পাশাপাশি ঘটনাস্থলে থাকা সিরাজ ও গৌরাঙ্গও দগ্ধ হন। তাদের মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে শাকিল ও সিরাজকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনস
নেত্রকোনার পূর্বধলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক কিশোরকে লক্ষ্য করে অ্যাসিড নিক্ষেপে তিনজন দগ্ধ হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
রোববার (৫ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের শাহাবাজপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার ইয়ারন গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে শাকিল (১৭), তুলাবাইদ গ্রামের মৃত সমেশ আলীর ছেলে মো. সিরাজ ও একই ইউনিয়নের মৃত বিপিনের ছেলে গৌরাঙ্গ (৬০)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শাহাবাজপুর বাজারে সাগর জুয়েলার্সের পাশের একটি কাপড়ের দোকানে অবস্থান করছিলেন শাকিল। এসময় সাগর জুয়েলার্সের মালিকের ভাই মো. শামীমের (১৮) সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে শামীম জুয়েলার্সের কাজে ব্যবহৃত অ্যাসিড শাকিলকে লক্ষ্য করে ছুড়ে মারেন বলে অভিযোগ। এতে শাকিলের পাশাপাশি ঘটনাস্থলে থাকা সিরাজ ও গৌরাঙ্গও দগ্ধ হন। তাদের মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়।
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে শাকিল ও সিরাজকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সিরাজ বাড়ি ফিরে এলেও শাকিল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে শামীম ও সাগর জুয়েলার্সের মালিক সাগর মিয়ার সঙ্গে ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।
পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন সোমবার (৬ জুলাই) সন্ধ্যায় বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এইচ এম কামাল/এসআর
What's Your Reaction?