তুলির পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গেলেন ব্যারিস্টার আরমান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ব্যারিস্টার আহমদ বিন কাশেম আরমান বিজয়ী হয়ে এই আসনের প্রার্থী সানজিদা ইসলাম তুলির পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন। শনিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর নাখালপাড়ায় ব্যারিস্টার আহমদ বিন কাশেম আরমান ও তার স্ত্রী তুলির মায়ের সঙ্গে দেখা করেন। দেখা করে ব্যারিস্টার আরমান বলেন, আমি যখন আয়নাঘর থেকে বের হয়ে আসি, তখন আমার পরিবার; প্রথম মায়ের ডাক নামে সংগঠনের কথা বলে-যারা সার্বক্ষণিক আমার পরিবারের খোঁজ খবর নেয়। এখন পর্যন্ত গুম হওয়া সুমন ভাইয়ের গুমের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়নি। সুমন ভাইয়ের মতো শত শত পরিবার এখনও জানতে পারেনি, তাদের সন্তানের সঙ্গে কি হয়েছে। তিনি বলেন, আমি যখন গুম ছিলাম, তখন আমার অনেক নিকটাত্নীয় যোগাযোগ রাখেনি, কিন্ত এই পরিবারটা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছে। তারা গুমের শিকার পরিবারকে আন্দোলন করা শিখিয়েছে। তিনি বলেন, গুমের সঙ্গে যারাই জড়িত হোক না কেন, যত পরাশক্তি থাক না কেন, যতদিন তাদেরকে বিচারের আওতায় না আনা হবে, আমাদের সংগ্রাম চলবে। এই পরিবারের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক রাজনীতির অনেক ঊর্ধ্বে। আমি আজীবন এই পরিবার

তুলির পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গেলেন ব্যারিস্টার আরমান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ব্যারিস্টার আহমদ বিন কাশেম আরমান বিজয়ী হয়ে এই আসনের প্রার্থী সানজিদা ইসলাম তুলির পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন।

শনিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর নাখালপাড়ায় ব্যারিস্টার আহমদ বিন কাশেম আরমান ও তার স্ত্রী তুলির মায়ের সঙ্গে দেখা করেন।

দেখা করে ব্যারিস্টার আরমান বলেন, আমি যখন আয়নাঘর থেকে বের হয়ে আসি, তখন আমার পরিবার; প্রথম মায়ের ডাক নামে সংগঠনের কথা বলে-যারা সার্বক্ষণিক আমার পরিবারের খোঁজ খবর নেয়। এখন পর্যন্ত গুম হওয়া সুমন ভাইয়ের গুমের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়নি। সুমন ভাইয়ের মতো শত শত পরিবার এখনও জানতে পারেনি, তাদের সন্তানের সঙ্গে কি হয়েছে।

তিনি বলেন, আমি যখন গুম ছিলাম, তখন আমার অনেক নিকটাত্নীয় যোগাযোগ রাখেনি, কিন্ত এই পরিবারটা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছে। তারা গুমের শিকার পরিবারকে আন্দোলন করা শিখিয়েছে।

তিনি বলেন, গুমের সঙ্গে যারাই জড়িত হোক না কেন, যত পরাশক্তি থাক না কেন, যতদিন তাদেরকে বিচারের আওতায় না আনা হবে, আমাদের সংগ্রাম চলবে। এই পরিবারের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক রাজনীতির অনেক ঊর্ধ্বে। আমি আজীবন এই পরিবারের কাছে কৃতজ্ঞ থাকবো।

এসময় সানজিদা ইসলাম তুলির মা বলেন, আমার সুমনকে বের করতে হবে। এটা আমার আবদার। আরমান তো এখন এমপি হয়েছে; আরমানের সঙ্গে আমার অনেক আগে থেকে পরিচয়। আমি মিরপুর গেলে সবার প্রথমে আরমানের বাসায় যাবো।

আরএএস/এসএনআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow