তৃতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা, স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড

নেত্রকোনার পূর্বধলায় স্বামী রুক্কু মিয়া (৩৮) হত্যাকাণ্ডের দায়ে স্ত্রী রুবিনা আক্তারকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা জজ মোছা. মরিয়ম-মুন-মুঞ্জুরী এই রায় দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌশলী আবুল হাসেম। দণ্ডপ্রাপ্ত রুবিনা আক্তার (৩২) উপজেলার কৈলাটি গ্রামের বজলুর রহমানের মেয়ে। এছাড়া নিহত রুক্কু মিয়া পূর্বধলা উপজেলার লেটিরকান্দা গ্রামের শামছুর রহমানের ছেলে। মামলার বিবরণে জানা যায়, রুক্কু মিয়া তিনটি বিয়ে করেছিলেন। প্রথম স্ত্রী রুবিনা ছাড়াও পরে নোয়াখালীতে দ্বিতীয় ও গাজীপুরে তৃতীয় বিয়ে করেন। রুক্কুর সঙ্গে ১১ বছরের সংসার জীবনে রুবিনার ৯ বছর ও ৭ বছরের দুইটি মেয়ে রয়েছে। কিন্তু কয়েক বছর ধরে তিনি তাদের ভরণপোষণ দিচ্ছিলেন না। এই দাম্পত্য কলহের জেরে ২০২১ সালের ১৪ মে, ঈদের দিন সন্ধ্যায় রুক্কু মিয়া শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে গেলে রাতের খাবার শেষে ঘুমন্ত অবস্থায় রুবিনা তাকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন। এ ঘটনায় নিহত রুক্কু ভাই মো. আসান মিয়া বাদি হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। পরে হত্যা মামলায় ১১ জন সাক্ষী স

তৃতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা, স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড

নেত্রকোনার পূর্বধলায় স্বামী রুক্কু মিয়া (৩৮) হত্যাকাণ্ডের দায়ে স্ত্রী রুবিনা আক্তারকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা জজ মোছা. মরিয়ম-মুন-মুঞ্জুরী এই রায় দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌশলী আবুল হাসেম।

দণ্ডপ্রাপ্ত রুবিনা আক্তার (৩২) উপজেলার কৈলাটি গ্রামের বজলুর রহমানের মেয়ে। এছাড়া নিহত রুক্কু মিয়া পূর্বধলা উপজেলার লেটিরকান্দা গ্রামের শামছুর রহমানের ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, রুক্কু মিয়া তিনটি বিয়ে করেছিলেন। প্রথম স্ত্রী রুবিনা ছাড়াও পরে নোয়াখালীতে দ্বিতীয় ও গাজীপুরে তৃতীয় বিয়ে করেন। রুক্কুর সঙ্গে ১১ বছরের সংসার জীবনে রুবিনার ৯ বছর ও ৭ বছরের দুইটি মেয়ে রয়েছে। কিন্তু কয়েক বছর ধরে তিনি তাদের ভরণপোষণ দিচ্ছিলেন না। এই দাম্পত্য কলহের জেরে ২০২১ সালের ১৪ মে, ঈদের দিন সন্ধ্যায় রুক্কু মিয়া শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে গেলে রাতের খাবার শেষে ঘুমন্ত অবস্থায় রুবিনা তাকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন।

এ ঘটনায় নিহত রুক্কু ভাই মো. আসান মিয়া বাদি হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। পরে হত্যা মামলায় ১১ জন সাক্ষী সাক্ষ্য শেষে স্ত্রী রুবিনা আক্তারকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন। সেই সঙ্গে তাকে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করেন।

এইচ এম কামাল/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow