তৃতীয় লিঙ্গের করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, জুলাই যোদ্ধা ৬ লাখ
জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত প্রস্তাবিত বাজেটের ফাইন্যান্স বিলে তৃতীয় লিঙ্গের করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। একইসঙ্গে ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ জন্য সর্বোচ্চ ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত আয়সীমা রাখার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে এ প্রস্তাব করেন। প্রস্তাব অনুযায়ী, নারী করদাতা, ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী প্রবীণ নাগরিক, তৃতীয় লিঙ্গের করদাতা এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা নির্ধারণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সরকারের নির্ধারিত রোডম্যাপ অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে নারী ও প্রবীণ নাগরিকদের করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ টাকা করা হবে। অন্যদিকে, তৃতীয় লিঙ্গের করদাতা এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব রাখা হয়েছে ফাইন্যান্স বিলে। এ ছাড়া প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতা-মাতা বা আইনানুগ অভিভাবকদের জন্য নতুন একটি করসুবিধা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতিটি প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্য অতি
জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত প্রস্তাবিত বাজেটের ফাইন্যান্স বিলে তৃতীয় লিঙ্গের করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। একইসঙ্গে ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ জন্য সর্বোচ্চ ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত আয়সীমা রাখার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে এ প্রস্তাব করেন।
প্রস্তাব অনুযায়ী, নারী করদাতা, ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী প্রবীণ নাগরিক, তৃতীয় লিঙ্গের করদাতা এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা নির্ধারণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সরকারের নির্ধারিত রোডম্যাপ অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে নারী ও প্রবীণ নাগরিকদের করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ টাকা করা হবে।
অন্যদিকে, তৃতীয় লিঙ্গের করদাতা এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব রাখা হয়েছে ফাইন্যান্স বিলে।
এ ছাড়া প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতা-মাতা বা আইনানুগ অভিভাবকদের জন্য নতুন একটি করসুবিধা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতিটি প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্য অতিরিক্ত ৫০ হাজার টাকা আয় করমুক্ত সুবিধার আওতায় থাকবে।
সরকারের মতে, সামাজিক সুরক্ষা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত ব্যবস্থাগুলো কার্যকর হলে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি, তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠী এবং জুলাই যোদ্ধারা কর ব্যবস্থায় বাড়তি সুবিধা পাবেন।
ইএআর/এমএমকে
What's Your Reaction?