তেল ছাড়াও ইরানের যে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদের দখল নিতে চান ট্রাম্প

ইরানের জ্বালানি তেলের প্রধান রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ ছড়িয়েছে। স্থানীয় সময় রোববার (২৯ মার্চ) ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন, ওয়াশিংটন ইরানের অর্থনীতির ‘লাইফলাইন’ হিসেবে পরিচিত এই দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ নিতে চায়। এই নীতিকে তিনি ভেনেজুয়েলার ‘তেল রাজনীতির’ সঙ্গে তুলনা করেছেন। কিন্তু এই ভূ-রাজনৈতিক লড়াইয়ের সমীকরণ শুধু তেলেই সীমাবদ্ধ নেই। ইরানের তেল ছাড়াও আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদের দখল নিতে চান ট্রাম্প। খবর বিবিসি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের দেওয়া তথ্যমতে, ট্রাম্প এখন ইরান থেকে ১ হাজার পাউন্ড সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম তুলে আনতে সামরিক অভিযানের কথা গুরুত্ব দিয়ে ভাবছেন। এই পরিকল্পনা যদি বাস্তবে রূপ নেয়, তবে মার্কিন কমান্ডো বাহিনীকে সম্ভবত কয়েক দিন বা তারও বেশি সময় ধরে ইরানের ভূখণ্ডের ভেতরেই অবস্থান করতে হবে, যা মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব ও চরম ঝুঁকিপূর্ণ সামরিক পদক্ষেপ হতে পারে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বরাতে জার্নালটি জানিয়েছে, এই অ

তেল ছাড়াও ইরানের যে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদের দখল নিতে চান ট্রাম্প

ইরানের জ্বালানি তেলের প্রধান রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ ছড়িয়েছে। স্থানীয় সময় রোববার (২৯ মার্চ) ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন, ওয়াশিংটন ইরানের অর্থনীতির ‘লাইফলাইন’ হিসেবে পরিচিত এই দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ নিতে চায়। এই নীতিকে তিনি ভেনেজুয়েলার ‘তেল রাজনীতির’ সঙ্গে তুলনা করেছেন।

কিন্তু এই ভূ-রাজনৈতিক লড়াইয়ের সমীকরণ শুধু তেলেই সীমাবদ্ধ নেই। ইরানের তেল ছাড়াও আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদের দখল নিতে চান ট্রাম্প। খবর বিবিসি

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের দেওয়া তথ্যমতে, ট্রাম্প এখন ইরান থেকে ১ হাজার পাউন্ড সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম তুলে আনতে সামরিক অভিযানের কথা গুরুত্ব দিয়ে ভাবছেন। এই পরিকল্পনা যদি বাস্তবে রূপ নেয়, তবে মার্কিন কমান্ডো বাহিনীকে সম্ভবত কয়েক দিন বা তারও বেশি সময় ধরে ইরানের ভূখণ্ডের ভেতরেই অবস্থান করতে হবে, যা মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব ও চরম ঝুঁকিপূর্ণ সামরিক পদক্ষেপ হতে পারে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বরাতে জার্নালটি জানিয়েছে, এই অভিযানের ফলে সম্ভবত মার্কিন বাহিনীকে বেশ কয়েক দিন বা তার বেশি সময় দেশটির (ইরান) ভেতরে অবস্থান করতে হতে পারে।

ট্রাম্প এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। তবে কর্মকর্তাদের মতে, তিনি এই ধারণার প্রতি সাধারণভাবে ইতিবাচক মনোভাব রাখছেন। কারণ এটি ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না দেওয়ার যে লক্ষ্য তার রয়েছে, তা অর্জনে সহায়তা করতে পারে।

এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য বিবিসি হোয়াইট হাউস এবং পেন্টাগনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।

নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের মতে, ট্রাম্পের মূল লক্ষ্য হলো ইরানকে পরমাণু অস্ত্র তৈরির দৌড় থেকে চিরতরে ছিটকে দেওয়া। আর এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি যেকোনো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে মানসিকভাবে প্রস্তুত।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের ভাষ্যমতে, সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা মার্কিন সেনাদের মূল লক্ষ্যবস্তু শুধু খার্গ দ্বীপ দখল বা পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালি রক্ষা নয়। ইসফাহান পারমাণবিক কেন্দ্রে ইরানের উচ্চ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের দখল নিতেও এসব সেনা অভিযান চালাতে পারে।

নিউ ইয়র্ক টাইমস চলতি মাসের শুরুর দিকেই একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। যেখানে বলা হয়, ট্রাম্প একটি অভিযানের কথা আসলেই বিবেচনা করছেন, যার উদ্দেশ্য হলো ইসফাহানের একটি পাহাড়ের গভীরে সংরক্ষিত প্রায় বোমা তৈরির উপযোগী পারমাণবিক উপাদানগুলো জব্দ ও ধ্বংস করা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow