তেল-জ্বালানি খাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করছে ইরান ও ভারত
তেল ও জ্বালানি খাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ, শক্তিশালীকরণ এবং উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে ইরান ও ভারত। বৃহস্পতিবার ভারতের হরিয়ানার গুরুগ্রামে অনুষ্ঠিত ১১তম ব্রিকস জ্বালানি মন্ত্রীদের বৈঠকের ফাঁকে দুই দেশের মন্ত্রী বৈঠক করেছেন বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে মেহেজ নিউজ এজেন্সি। ১১তম ব্রিকস জ্বালানি মন্ত্রীদের সম্মেলনের সাইডলাইন বৈঠকে মিলিত হন ইরানের তেলমন্ত্রী মোহসেন পাকনেজাদ এবং ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হারদিপ সিং পুরি। প্রতিবেদনের তথ্য মতে, বৈঠকে উভয় পক্ষ দুই দেশের বিদ্যমান ইতিবাচক সম্পর্কের প্রশংসা করেন এবং তেল ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে মতৈক্যে পৌঁছান। ভারত দীর্ঘদিন ধরে ইরানি অপরিশোধিত তেলের অন্যতম প্রধান ক্রেতা ছিল। তবে ২০১৯ সালে ইরানের তেল রপ্তানির ওপর যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর ভারত ইরান থেকে তেল আমদানি স্থগিত করে। উল্লেখ্য, ২৫-২৬ জুন ভারতের গুরুগ্রামে অনুষ্ঠিত ১১তম ব্রিকস জ্বালানি মন্ত্রীদের বৈঠকে ব্রিকসভুক্ত ১১টি উদীয়মান অর্থনীতি ও উন্নয়নশীল দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন। এই জোটের সদস্য দেশগুলো হলো ব্রাজিল, চীন, মি
তেল ও জ্বালানি খাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ, শক্তিশালীকরণ এবং উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে ইরান ও ভারত। বৃহস্পতিবার ভারতের হরিয়ানার গুরুগ্রামে অনুষ্ঠিত ১১তম ব্রিকস জ্বালানি মন্ত্রীদের বৈঠকের ফাঁকে দুই দেশের মন্ত্রী বৈঠক করেছেন বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে মেহেজ নিউজ এজেন্সি।
১১তম ব্রিকস জ্বালানি মন্ত্রীদের সম্মেলনের সাইডলাইন বৈঠকে মিলিত হন ইরানের তেলমন্ত্রী মোহসেন পাকনেজাদ এবং ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হারদিপ সিং পুরি।
প্রতিবেদনের তথ্য মতে, বৈঠকে উভয় পক্ষ দুই দেশের বিদ্যমান ইতিবাচক সম্পর্কের প্রশংসা করেন এবং তেল ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে মতৈক্যে পৌঁছান।
ভারত দীর্ঘদিন ধরে ইরানি অপরিশোধিত তেলের অন্যতম প্রধান ক্রেতা ছিল। তবে ২০১৯ সালে ইরানের তেল রপ্তানির ওপর যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর ভারত ইরান থেকে তেল আমদানি স্থগিত করে।
উল্লেখ্য, ২৫-২৬ জুন ভারতের গুরুগ্রামে অনুষ্ঠিত ১১তম ব্রিকস জ্বালানি মন্ত্রীদের বৈঠকে ব্রিকসভুক্ত ১১টি উদীয়মান অর্থনীতি ও উন্নয়নশীল দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন। এই জোটের সদস্য দেশগুলো হলো ব্রাজিল, চীন, মিশর, ইথিওপিয়া, ভারত, ইরান, রাশিয়া সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত।
প্রসঙ্গত, জেনেভা শহরে আলোচনা চলা অবস্থায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথবাহিনী। এতে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বেশকিছু শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হন। এর প্রতিবাদে ৩৯ দিনে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ১০০ দফা হামলা চালায় ইরান।
এরপর ইরানের ১০ দফা প্রস্তাবের ভিত্তিতে ৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেন ট্রাম্প। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয় এবং ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে সরাসরি বৈঠক করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়া ১৩ এপ্রিল হরমুজে নৌ-অবরোধ আরোপ করা হয়। এরপর কয়েক দফা যুদ্ধবিরতির সময় বাড়ান ট্রাম্প।
সর্বশেষ, ইরানের ১৪ দফা শর্তের ভিত্তিতে চলতি সপ্তাহে একটি সমঝোতা স্মারক নিয়ে সমঝোতায় পৌছায় দুই পক্ষ। অ্যাক্সিওস এর সংবাদের তথ্য মতে, ১৪ দফার ভিত্তিতে দুই পক্ষ ৬০ দিনের জন্য আলোচনায় সম্মত হয়েছে এবং ইরানের ওপর হামলা তথা যুদ্ধ বন্ধের বিনিময়ে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হয়েছে।
ইরানের লিগ্যাল মেডিসিন সংস্থার তথ্যমতে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত সংঘাতে মোট ৩ হাজার ৩৭৫ জন নিহত হন, যার মধ্যে ২ হাজার ৮৭৫ জন পুরুষ এবং ৪৯৬ জন নারী। এছাড়া জরুরি চিকিৎসা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এই যুদ্ধে ১১৮ জন চিকিৎসাকর্মী আহত হন এবং ২৬ জন নিহত হন।
কেএম
What's Your Reaction?