তেল স্থাপনা ও পানি প্ল্যান্টে হামলা, কঠোর পরিণতির হুঁশিয়ারি
ইরানের তেল স্থাপনা ও একটি লবণমুক্ত পানি উৎপাদন (ডিস্যালিনেশন) প্ল্যান্টে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার অভিযোগ তুলে কঠোর পরিণতির হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। হামলার ফলে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় প্রভাব পড়তে পারে বলে জানিয়েছে ইরান। কাতার ভিত্তিক আলজাজিরার সংবাদে এ খবর নিশ্চিত হয়েছে। তেহরান থেকে প্রতিবেদন দেওয়া সাংবাদিক Mohamed Vall বলেন, ইসরায়েল এই হামলার মাধ্যমে মূলত দুটি লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করছে। প্রথমত, ব্যাপক বিস্ফোরণ ও আগুনের গোলা তৈরি করে জনগণের মধ্যে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করা। দ্বিতীয়ত, ইরানের সামরিক বাহিনীর চলাচল ও সক্ষমতা দুর্বল করে দেওয়া। তিনি জানান, তেহরানের আকাশে বিস্ফোরণের আগুনের গোলা মানুষের মধ্যে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে। পাশাপাশি যেসব স্থাপনায় হামলা হয়েছে, সেগুলো মানুষের জীবনধারণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে কেশম দ্বীপের একটি মিঠাপানি উৎপাদন প্ল্যান্টে হামলার ঘটনায় ইরানে ব্যাপক উদ্বেগ ও নিন্দা তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Abbas Araghchi সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তায় বলেন, “কেশম দ্বীপের একটি মিঠাপানি
ইরানের তেল স্থাপনা ও একটি লবণমুক্ত পানি উৎপাদন (ডিস্যালিনেশন) প্ল্যান্টে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার অভিযোগ তুলে কঠোর পরিণতির হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। হামলার ফলে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় প্রভাব পড়তে পারে বলে জানিয়েছে ইরান। কাতার ভিত্তিক আলজাজিরার সংবাদে এ খবর নিশ্চিত হয়েছে।
তেহরান থেকে প্রতিবেদন দেওয়া সাংবাদিক Mohamed Vall বলেন, ইসরায়েল এই হামলার মাধ্যমে মূলত দুটি লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করছে। প্রথমত, ব্যাপক বিস্ফোরণ ও আগুনের গোলা তৈরি করে জনগণের মধ্যে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করা। দ্বিতীয়ত, ইরানের সামরিক বাহিনীর চলাচল ও সক্ষমতা দুর্বল করে দেওয়া।
তিনি জানান, তেহরানের আকাশে বিস্ফোরণের আগুনের গোলা মানুষের মধ্যে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে। পাশাপাশি যেসব স্থাপনায় হামলা হয়েছে, সেগুলো মানুষের জীবনধারণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষ করে কেশম দ্বীপের একটি মিঠাপানি উৎপাদন প্ল্যান্টে হামলার ঘটনায় ইরানে ব্যাপক উদ্বেগ ও নিন্দা তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Abbas Araghchi সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তায় বলেন, “কেশম দ্বীপের একটি মিঠাপানি লবণমুক্তকরণ প্ল্যান্টে হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র একটি প্রকাশ্য ও মরিয়া অপরাধ করেছে। এতে অন্তত ৩০টি গ্রামের পানির সরবরাহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “ইরানের অবকাঠামোতে হামলা অত্যন্ত বিপজ্জনক পদক্ষেপ এবং এর বড় ধরনের পরিণতি হবে। এই ধরনের নজির যুক্তরাষ্ট্রই তৈরি করেছে, ইরান নয়।”
পর্যবেক্ষকদের মতে, ইরান যখন “নজির” বা “precedent”-এর কথা বলছে, তখন সম্ভবত একই ধরনের পাল্টা পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিচ্ছে। পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের সবচেয়ে দুর্বল অবকাঠামোগুলোর একটি হলো পানির লবণমুক্তকরণ প্ল্যান্ট।
ইরানের অভিযোগ, উপসাগরীয় কিছু দেশ এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সহায়তা করছে। ফলে এমন পরিস্থিতিতে ওই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো লক্ষ্যবস্তু হতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো তাদের পানীয় জলের প্রায় ৯০ শতাংশই সমুদ্রের পানি লবণমুক্ত করার মাধ্যমে পায়। ফলে এই ধরনের স্থাপনায় হামলা হলে পুরো অঞ্চলে বড় ধরনের মানবিক সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
What's Your Reaction?