তেলবাহী জাহাজ ঘিরে মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে উত্তেজনা, রুশ সাবমেরিন মোতায়েন
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গের অভিযোগে একটি তেলবাহী জাহাজকে কেন্দ্র করে আটলান্টিক মহাসাগরে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। মার্কিন বাহিনীর তৎপরতার মুখে ওই জাহাজকে নিরাপত্তা দিতে একটি সাবমেরিনসহ একাধিক নৌযান মোতায়েন করেছে রাশিয়া।
বিবিসির সহযোগী সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অনুসরণে থাকা জাহাজটির সঙ্গে একটি রুশ সাবমেরিন ও অন্যান্য নৌবাহিনীর জাহাজ যুক্ত হয়েছে।
জাহাজটি বর্তমানে আইসল্যান্ড ও ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের মাঝামাঝি অবস্থান করছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, এটি মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইরানি তেল পরিবহনের সঙ্গে জড়িত। অতীতে জাহাজটি ভেনেজুয়েলার অপরিশোধিত তেল পরিবহন করলেও বর্তমানে সেটি খালি রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
এই জাহাজটির আগের নাম ছিল ‘বেলা ওয়ান’। পরে নাম পরিবর্তন করে ‘মারিনেরা’ রাখা হয়। একই সঙ্গে এটি গায়ানা থেকে নিবন্ধন তুলে নিয়ে রাশিয়ার পতাকাবাহী জাহাজ হিসেবে পুনরায় নিবন্ধিত হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
গত মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, ভেনেজুয়েলায় প্রবেশ ও সেখান থেকে বের হওয়া নিষেধাজ্ঞাভ
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গের অভিযোগে একটি তেলবাহী জাহাজকে কেন্দ্র করে আটলান্টিক মহাসাগরে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। মার্কিন বাহিনীর তৎপরতার মুখে ওই জাহাজকে নিরাপত্তা দিতে একটি সাবমেরিনসহ একাধিক নৌযান মোতায়েন করেছে রাশিয়া।
বিবিসির সহযোগী সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অনুসরণে থাকা জাহাজটির সঙ্গে একটি রুশ সাবমেরিন ও অন্যান্য নৌবাহিনীর জাহাজ যুক্ত হয়েছে।
জাহাজটি বর্তমানে আইসল্যান্ড ও ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের মাঝামাঝি অবস্থান করছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, এটি মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইরানি তেল পরিবহনের সঙ্গে জড়িত। অতীতে জাহাজটি ভেনেজুয়েলার অপরিশোধিত তেল পরিবহন করলেও বর্তমানে সেটি খালি রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
এই জাহাজটির আগের নাম ছিল ‘বেলা ওয়ান’। পরে নাম পরিবর্তন করে ‘মারিনেরা’ রাখা হয়। একই সঙ্গে এটি গায়ানা থেকে নিবন্ধন তুলে নিয়ে রাশিয়ার পতাকাবাহী জাহাজ হিসেবে পুনরায় নিবন্ধিত হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
গত মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, ভেনেজুয়েলায় প্রবেশ ও সেখান থেকে বের হওয়া নিষেধাজ্ঞাভুক্ত তেলবাহী জাহাজগুলোর ওপর তিনি ‘নৌ অবরোধ’ আরোপের নির্দেশ দিয়েছেন। ভেনেজুয়েলা সরকার তখন এই সিদ্ধান্তকে সরাসরি ‘চুরি’ হিসেবে আখ্যা দেয়।
এদিকে, যে এলাকায় মারিনেরা জাহাজটি অবস্থান করছে, সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিমানের গতিবিধিও নজরে এসেছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো উন্মুক্ত ট্র্যাকিং সাইটের তথ্য বিশ্লেষণ করে বিবিসি ভেরিফাই জানিয়েছে, উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলে একটি মার্কিন এয়ার-টু-এয়ার রিফুয়েলিং ট্যাংকার এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর স্পেশাল অপারেশনস কমান্ডের একাধিক বিমান উড়তে দেখা গেছে। এসব বিমান সাধারণত নজরদারি ও বিশেষায়িত সামরিক অভিযানে ব্যবহৃত হয়।
এই সামরিক তৎপরতার মধ্যেই রাশিয়ার নৌবাহিনীর জাহাজ ও সাবমেরিন মোতায়েনের খবর প্রকাশ্যে এলো, যা তেল পরিবহন, নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ এবং ভেনেজুয়েলা ইস্যুতে বড় শক্তিগুলোর মধ্যে চলমান টানাপোড়েনকে আরও স্পষ্ট করে তুলছে।