তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলার ছাড়ানোর আশঙ্কা
ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান সংঘাতের কারণে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল ও তেলজাত পণ্যের সরবরাহ বড় ধরনের বাধার মুখে পড়েছে। গবেষণা ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান উড ম্যাকেনজি সতর্ক করে বলেছে, পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। উড ম্যাকেনজি জানিয়েছে, বর্তমানে যুদ্ধের প্রভাবে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ ব্যারেল তেল ও তেলজাত পণ্যের সরবরাহ বিশ্ববাজারে কমে গেছে। এ অঞ্চলের দেশগুলো মিলিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি ব্যারেল তরল জ্বালানি উৎপাদন করে। এর মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ ব্যারেল রপ্তানি বিশ্ববাজার থেকে কার্যত কমে গেছে। রয়টার্স জানিয়েছে, বিশ্বে প্রতিদিন প্রায় ১০ কোটি ৫০ লাখ ব্যারেল তেলের চাহিদা রয়েছে। বাজারে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে হলে চাহিদা কমতে হবে অথবা দাম বাড়তে হবে। এই পরিস্থিতিতে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে কমপক্ষে ১৫০ ডলার পর্যন্ত বাড়তে পারে। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে ২০২৬ সালের ম
ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান সংঘাতের কারণে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল ও তেলজাত পণ্যের সরবরাহ বড় ধরনের বাধার মুখে পড়েছে। গবেষণা ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান উড ম্যাকেনজি সতর্ক করে বলেছে, পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
উড ম্যাকেনজি জানিয়েছে, বর্তমানে যুদ্ধের প্রভাবে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ ব্যারেল তেল ও তেলজাত পণ্যের সরবরাহ বিশ্ববাজারে কমে গেছে। এ অঞ্চলের দেশগুলো মিলিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি ব্যারেল তরল জ্বালানি উৎপাদন করে। এর মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ ব্যারেল রপ্তানি বিশ্ববাজার থেকে কার্যত কমে গেছে।
রয়টার্স জানিয়েছে, বিশ্বে প্রতিদিন প্রায় ১০ কোটি ৫০ লাখ ব্যারেল তেলের চাহিদা রয়েছে। বাজারে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে হলে চাহিদা কমতে হবে অথবা দাম বাড়তে হবে। এই পরিস্থিতিতে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে কমপক্ষে ১৫০ ডলার পর্যন্ত বাড়তে পারে।
প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে ২০২৬ সালের মধ্যে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার পর্যন্তও পৌঁছাতে পারে। এতে বিশেষ করে ইউরোপ বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। কারণ উপসাগরীয় অঞ্চলের রিফাইনারিগুলো ইউরোপের প্রায় ৬০ শতাংশ জেট জ্বালানি এবং ৩০ শতাংশ ডিজেলের সরবরাহ করে।
What's Your Reaction?