তেলের দামে বড় ছাড় দিচ্ছে ইরাক, হরমুজ দিয়ে পরিবহনে আছে শর্ত

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে তেল রপ্তানি বাড়াতে দাম কমিয়েছে ইরাক। ব্লুমবার্গ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিজ খরচে তেল পরিবহনে রাজি এমন ক্রেতা দেশের জন্য এই ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এই ছাড়ের মাধ্যমে বৈশ্বিক বাজারের অনিশ্চয়তা ও ঝুঁকির মধ্যেও রপ্তানি বাড়াতে চাচ্ছে ইরাক। ইরাকের রাষ্ট্রীয় সংস্থা স্টেট অর্গানাইজেশন ফর মার্কেটিং অয়েল (এসওএমও)-এর তথ্য মতে, মে মাসের তেল সরবরাহের জন্য বসরাহ মিডিয়াম ক্রুড অয়েল-এর দামে ব্যারেলপ্রতি সর্বোচ্চ ৩৩ দশমিক ৪ ডলার পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে। তবে শর্ত হলো-ক্রেতাদের নিজ দায়িত্বে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন করতে হবে। এর আগে, ইরানের ওপর হামলার কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে রপ্তানি সমস্যার কারণে তেল উৎপাদন কমিয়েছিল ইরাক। কিছু তেল এখনো পাইপলাইনের মাধ্যমে তুরস্ক হয়ে পাঠানো হচ্ছে। তবে পাইপলাইনে সরবরাহকৃত তেলের পরিমাণ সমুদ্রপথের তুলনায় অনেক কম। সামগ্রিকভাবে, নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও বৈশ্বিক তেলের বাজারে অবস্থান ধরে রাখতে ইরাক মূল্যছাড়ের কৌশল নিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে গত ৩ মে বিশ্বের তেলের ‘বাজারে স্থিতিশীলতা’ বজায় রাখতে উৎপাদন বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে

তেলের দামে বড় ছাড় দিচ্ছে ইরাক, হরমুজ দিয়ে পরিবহনে আছে শর্ত

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে তেল রপ্তানি বাড়াতে দাম কমিয়েছে ইরাক। ব্লুমবার্গ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিজ খরচে তেল পরিবহনে রাজি এমন ক্রেতা দেশের জন্য এই ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এই ছাড়ের মাধ্যমে বৈশ্বিক বাজারের অনিশ্চয়তা ও ঝুঁকির মধ্যেও রপ্তানি বাড়াতে চাচ্ছে ইরাক।

ইরাকের রাষ্ট্রীয় সংস্থা স্টেট অর্গানাইজেশন ফর মার্কেটিং অয়েল (এসওএমও)-এর তথ্য মতে, মে মাসের তেল সরবরাহের জন্য বসরাহ মিডিয়াম ক্রুড অয়েল-এর দামে ব্যারেলপ্রতি সর্বোচ্চ ৩৩ দশমিক ৪ ডলার পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে। তবে শর্ত হলো-ক্রেতাদের নিজ দায়িত্বে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন করতে হবে।

এর আগে, ইরানের ওপর হামলার কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে রপ্তানি সমস্যার কারণে তেল উৎপাদন কমিয়েছিল ইরাক। কিছু তেল এখনো পাইপলাইনের মাধ্যমে তুরস্ক হয়ে পাঠানো হচ্ছে। তবে পাইপলাইনে সরবরাহকৃত তেলের পরিমাণ সমুদ্রপথের তুলনায় অনেক কম।

সামগ্রিকভাবে, নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও বৈশ্বিক তেলের বাজারে অবস্থান ধরে রাখতে ইরাক মূল্যছাড়ের কৌশল নিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

এর আগে গত ৩ মে বিশ্বের তেলের ‘বাজারে স্থিতিশীলতা’ বজায় রাখতে উৎপাদন বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া ও সৌদি আরবসহ ওপেক প্লাসভুক্ত সাতটি দেশ।
ওপেক প্লাস দেশগুলো জানিয়েছে, জুন মাস থেকে উৎপাদন বৃদ্ধি শুরু হবে এবং এর বেশিরভাগই আসবে সৌদি আরব ও রাশিয়া থেকে।

কে এম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow