তোমরা প্রত্যেকেই দেশের অ্যাম্বাসেডর: শিশুদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী

দীর্ঘ ১৯ বছর পর ফের শুরু হয়েছে শিশু-কিশোরদের ক্রীড়া অন্বেষণ প্রতিযোগিতা নতুন কুঁড়ি। শনিবার (২ মে) সিলেট জেলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নতুন করে নতুন কুঁড়ি-২০২৬ এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে শিশুদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তোমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর। তোমাদের ওপরই নির্ভর করছে আগামীর বাংলাদেশ। এজন্য তোমাদের পড়ালেখা যেমন করতে হবে, তেমনি খেলাধুলাও করতে হবে। নিজেকে গড়ে তুলতে হবে। শিশু-কিশোরদের দেশের ভবিষ্যৎ উল্লেখ করে তাদেরকেই অনুষ্ঠানের ‘চিফ গেস্ট’ ঘোষণা করে তারেক রহমান বলেন, আজকের এই অনুষ্ঠানের চিফ গেস্ট তোমরাই। তোমাদের মধ্য থেকেই ভবিষ্যতে এই দেশ নেতৃত্ব পাবে, তোমরাই দেশকে এগিয়ে নেবে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নতুন কুঁড়ি শুরুর গল্প তুলে ধরে বলেন, প্রায় সাড়ে চার বছর আগে লন্ডনে এক বৈঠকে এই উদ্যোগের পরিকল্পনা করা হয়। তখন আমিনুল ইসলামের (বর্তমান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী) সঙ্গে লন্ডনের একটি রেস্টুরেন্টে বসে আমরা নতুন কুঁড়ি পুনরায় শুরু করার সিদ্ধান্ত নেই। সারা দেশের শিশু-কিশোরদের সম্পৃক্ত করে একটি নতুন ক্রীড়া কার্যক্রম চালু করার পরিকল্পনা করা হয়। আজ এটি বাস্তবা

তোমরা প্রত্যেকেই দেশের অ্যাম্বাসেডর: শিশুদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী

দীর্ঘ ১৯ বছর পর ফের শুরু হয়েছে শিশু-কিশোরদের ক্রীড়া অন্বেষণ প্রতিযোগিতা নতুন কুঁড়ি। শনিবার (২ মে) সিলেট জেলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নতুন করে নতুন কুঁড়ি-২০২৬ এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে শিশুদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তোমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর। তোমাদের ওপরই নির্ভর করছে আগামীর বাংলাদেশ। এজন্য তোমাদের পড়ালেখা যেমন করতে হবে, তেমনি খেলাধুলাও করতে হবে। নিজেকে গড়ে তুলতে হবে।

শিশু-কিশোরদের দেশের ভবিষ্যৎ উল্লেখ করে তাদেরকেই অনুষ্ঠানের ‘চিফ গেস্ট’ ঘোষণা করে তারেক রহমান বলেন, আজকের এই অনুষ্ঠানের চিফ গেস্ট তোমরাই। তোমাদের মধ্য থেকেই ভবিষ্যতে এই দেশ নেতৃত্ব পাবে, তোমরাই দেশকে এগিয়ে নেবে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নতুন কুঁড়ি শুরুর গল্প তুলে ধরে বলেন, প্রায় সাড়ে চার বছর আগে লন্ডনে এক বৈঠকে এই উদ্যোগের পরিকল্পনা করা হয়। তখন আমিনুল ইসলামের (বর্তমান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী) সঙ্গে লন্ডনের একটি রেস্টুরেন্টে বসে আমরা নতুন কুঁড়ি পুনরায় শুরু করার সিদ্ধান্ত নেই। সারা দেশের শিশু-কিশোরদের সম্পৃক্ত করে একটি নতুন ক্রীড়া কার্যক্রম চালু করার পরিকল্পনা করা হয়। আজ এটি বাস্তবায়ন করা হলো।

প্রধানমন্ত্রী শিশু ভবিষ্যৎ লক্ষ্য নির্ধারণের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, যে খেলোয়াড় হতে চায় তাকে খেলোয়াড় হতে হবে, যে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা অন্য কিছু হতে চায় তাকে সেই লক্ষ্য সামনে রেখে প্রস্তুতি নিতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে শিশুদের প্রতিভা বিকাশে সহায়তার আশ্বাসও দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হকসহ সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতারা ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আহমেদ জামিল/এনএইচআর/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow