‘তোর বাবাকে মারতে চাইনি, কয়েকটা ছুরিকাঘাত করেছি’
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে দুর্বৃত্তদের হামলায় আব্দুল বারেক আকন্দ ওরফে মজনু মুন্সি (৫৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। রোববার (৫ জুলাই) রাত আনুমানিক পৌনে ১০টার দিকে বয়ড়া বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাকে আঘাত করা হয়। নিহত মজনু মুন্সি উপজেলার ৯ নম্বর ভাংনামারী ইউনিয়নের দুর্বারচর গ্রামের মৃত আব্বাস আলী আকন্দের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার রাত আনুমানিক পৌনে ১০টার দিকে বয়ড়া বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন বারেক আকন্দ। পথে চন্দ্রপাড়া সড়কে পৌঁছালে অজ্ঞাতনামা কয়েকজন দুর্বৃত্ত তার পথরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় সড়কে লুটিয়ে পড়েন। তার চিৎকার শুনে স্বজন ও স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের মেয়ে বৃষ্টি আক্তার জানান, রোববার রাত পৌনে ১১টার দিকে তার বাবার ফোনে একটি কল আসে। এ সময় অপরিচিত এক ব্যক্তি বললেন, ‘তোর বাবাকে মারতে চাইনি। কয়েকটা ছুরিকাঘাত করেছি, কিন্তু বেশি হয়ে গেছে। তোর বাবা মারা গেছে।’ এই কথ
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে দুর্বৃত্তদের হামলায় আব্দুল বারেক আকন্দ ওরফে মজনু মুন্সি (৫৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
রোববার (৫ জুলাই) রাত আনুমানিক পৌনে ১০টার দিকে বয়ড়া বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাকে আঘাত করা হয়।
নিহত মজনু মুন্সি উপজেলার ৯ নম্বর ভাংনামারী ইউনিয়নের দুর্বারচর গ্রামের মৃত আব্বাস আলী আকন্দের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার রাত আনুমানিক পৌনে ১০টার দিকে বয়ড়া বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন বারেক আকন্দ। পথে চন্দ্রপাড়া সড়কে পৌঁছালে অজ্ঞাতনামা কয়েকজন দুর্বৃত্ত তার পথরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় সড়কে লুটিয়ে পড়েন।
তার চিৎকার শুনে স্বজন ও স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের মেয়ে বৃষ্টি আক্তার জানান, রোববার রাত পৌনে ১১টার দিকে তার বাবার ফোনে একটি কল আসে। এ সময় অপরিচিত এক ব্যক্তি বললেন, ‘তোর বাবাকে মারতে চাইনি। কয়েকটা ছুরিকাঘাত করেছি, কিন্তু বেশি হয়ে গেছে। তোর বাবা মারা গেছে।’ এই কথা বলেই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় ওই ব্যক্তি।
নিহতের ছেলে মাজহারুল ইসলাম আকাশ দাবি করেন, তার বাবা বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে কয়েকজন ছিনতাইকারী তার পথরোধ করে। একপর্যায়ে তিনি তাদের চিনে ফেলায় দুর্বৃত্তরা তাকে ছুরিকাঘাত করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
নিহতের মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এবং ময়নাতদন্তের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করে। পরে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান বলেন, ‘ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।’
What's Your Reaction?