থাইল্যান্ড থেকে ২৭ হাজার কোরবানির পশু আনলো মালয়েশিয়া

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে মালয়েশিয়ায় চাহিদা মেটাতে থাইল্যান্ড থেকে ২৭ হাজারের বেশি গবাদিপশু আমদানি করা হয়েছে। দেশটির কোয়ারেন্টিন ও পরিদর্শন সেবা বিভাগ জানিয়েছে, আমদানি করা সব পশুকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও কোয়ারেন্টিন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আনা হয়েছে। কোয়ারেন্টিন ও পরিদর্শন সেবা বিভাগের উপ-মহাপরিচালক ডা. আজহারি শরিদান আবু বাকার বলেন, আমদানি করা গবাদিপশুর বেশিরভাগই থাইল্যান্ড থেকে এসেছে এবং এগুলো রোগমুক্ত ও কোরবানির জন্য নিরাপদ। পশুগুলোকে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে রেখে ‘ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ’ এবং ‘লামপি স্কিন ডিজিজ’-এর লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। সরকারি সংবাদ সংস্থা বার্নামাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই দুটি রোগই কোয়ারেন্টিন চলাকালে আমাদের প্রধান নজরদারির মধ্যে থাকে। আসন্ন হরি রায়া হাজি উপলক্ষে এখন পর্যন্ত প্রায় এক হাজার মহিষও আমদানি করা হয়েছে। ডা. আজহারি বলেন, প্রাণিসম্পদের রোগ নিয়ন্ত্রণ এবং জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব পশুকেই ম্যাকিসের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। এ কারণে তিনি আমদানিকারকদের কঠোরভাবে নিয়ম মেনে চলার আহ্বান জানান। তিনি ব্যাখ্যা করেন, কিছু আমদানিকারক সরকারি

থাইল্যান্ড থেকে ২৭ হাজার কোরবানির পশু আনলো মালয়েশিয়া

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে মালয়েশিয়ায় চাহিদা মেটাতে থাইল্যান্ড থেকে ২৭ হাজারের বেশি গবাদিপশু আমদানি করা হয়েছে।

দেশটির কোয়ারেন্টিন ও পরিদর্শন সেবা বিভাগ জানিয়েছে, আমদানি করা সব পশুকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও কোয়ারেন্টিন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আনা হয়েছে।

কোয়ারেন্টিন ও পরিদর্শন সেবা বিভাগের উপ-মহাপরিচালক ডা. আজহারি শরিদান আবু বাকার বলেন, আমদানি করা গবাদিপশুর বেশিরভাগই থাইল্যান্ড থেকে এসেছে এবং এগুলো রোগমুক্ত ও কোরবানির জন্য নিরাপদ। পশুগুলোকে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে রেখে ‘ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ’ এবং ‘লামপি স্কিন ডিজিজ’-এর লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।

সরকারি সংবাদ সংস্থা বার্নামাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই দুটি রোগই কোয়ারেন্টিন চলাকালে আমাদের প্রধান নজরদারির মধ্যে থাকে। আসন্ন হরি রায়া হাজি উপলক্ষে এখন পর্যন্ত প্রায় এক হাজার মহিষও আমদানি করা হয়েছে।

ডা. আজহারি বলেন, প্রাণিসম্পদের রোগ নিয়ন্ত্রণ এবং জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব পশুকেই ম্যাকিসের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। এ কারণে তিনি আমদানিকারকদের কঠোরভাবে নিয়ম মেনে চলার আহ্বান জানান।

তিনি ব্যাখ্যা করেন, কিছু আমদানিকারক সরকারি কোয়ারেন্টিন কেন্দ্রের পরিবর্তে ম্যাকিস অনুমোদিত বেসরকারি কোয়ারেন্টিন কেন্দ্রে পশু রাখেন। তবে এসব পশুর ওপরও ম্যাকিস কর্মকর্তারা নিয়মিত নজরদারি করেন।

সরকারি কোয়ারেন্টিন কেন্দ্রগুলোতে জায়গা সংকুলান না হলে, নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে বেসরকারি কেন্দ্র কিংবা আমদানিকারকের নিজস্ব স্থাপনাতেও পশু কোয়ারেন্টিনে রাখা যেতে পারে। তবে এজন্য আগে থেকেই ম্যাকিসের অনুমোদন নিতে হয়।

তিনি স্বীকার করেন, কিছু ক্ষেত্রে নিয়ম লঙ্ঘনের ঘটনাও ঘটে। বিশেষ করে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন শেষ হওয়ার আগেই কিছু পশু বিক্রি করে দেওয়া হয়। গত বছর এমন একটি এবং তার আগের বছর দুটি ঘটনা রেকর্ড করেছে ম্যাকিস। এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে ২০১১ সালের কোয়ারেন্টিন ও পরিদর্শন সেবা আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে বলেও জানান তিনি।

ম্যাকিস জানায়, গবাদিপশুগুলো মূলত তিনটি ইমিগ্রেশন, কাস্টমস, কোয়ারেন্টিন ও সিকিউরিটি কমপ্লেক্স দিয়ে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করে। এগুলো হলো পদাং বেসার, বুকিত কায়ু হিতাম (কেদাহ) এবং রানতাউ পানজাং (কেলান্তান)।

এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow