থানা হেফাজতে আসামিকে মারধর, এসআইয়ের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে গ্রেফতার হওয়া এক আসামিকে থানা হেফাজতে এনে মারধরের অভিযোগে এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, রায়পুর আমলি অঞ্চলের বিচারক মোহাম্মদ রেজাউল হক এ আদেশ দেন। অভিযুক্ত ওই পুলিশ কর্মকর্তার নাম সুদীপ্ত নাথ দীপ্ত। তিনি রায়পুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই)। আদালতের জারিকারক মো. মাসুদ জানান, জিআর-১৮৩/২৬ নম্বর মামলার আসামি শাওনকে গ্রেপ্তারের পর তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সুদীপ্ত নাথ দীপ্ত থানায় মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে গেলে ম্যাজিস্ট্রেটের জিজ্ঞাসাবাদে শাওন জানান, থানা হেফাজতে তাকে ব্যাপক মারধর করা হয়েছে। এরপর আদালতের নির্দেশে জেলা সিভিল সার্জনের মাধ্যমে তার চিকিৎসা করানো হয় এবং মেডিকেল সার্টিফিকেট সংগ্রহ করা হয়। প্রাথমিকভাবে মেডিকেল প্রতিবেদনে মারধরের আলামত পাওয়া যাওয়ায় আইন অনুযায়ী অভিযুক্ত এসআইয়ের বিরুদ্ধে এফআইআর গ্রহণের জন্য জেলা পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ মে রায়পুর উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের চরব

থানা হেফাজতে আসামিকে মারধর, এসআইয়ের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে গ্রেফতার হওয়া এক আসামিকে থানা হেফাজতে এনে মারধরের অভিযোগে এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, রায়পুর আমলি অঞ্চলের বিচারক মোহাম্মদ রেজাউল হক এ আদেশ দেন।

অভিযুক্ত ওই পুলিশ কর্মকর্তার নাম সুদীপ্ত নাথ দীপ্ত। তিনি রায়পুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই)।

আদালতের জারিকারক মো. মাসুদ জানান, জিআর-১৮৩/২৬ নম্বর মামলার আসামি শাওনকে গ্রেপ্তারের পর তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সুদীপ্ত নাথ দীপ্ত থানায় মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে গেলে ম্যাজিস্ট্রেটের জিজ্ঞাসাবাদে শাওন জানান, থানা হেফাজতে তাকে ব্যাপক মারধর করা হয়েছে।

এরপর আদালতের নির্দেশে জেলা সিভিল সার্জনের মাধ্যমে তার চিকিৎসা করানো হয় এবং মেডিকেল সার্টিফিকেট সংগ্রহ করা হয়। প্রাথমিকভাবে মেডিকেল প্রতিবেদনে মারধরের আলামত পাওয়া যাওয়ায় আইন অনুযায়ী অভিযুক্ত এসআইয়ের বিরুদ্ধে এফআইআর গ্রহণের জন্য জেলা পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ মে রায়পুর উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের চরবগা গ্রামের বাসিন্দা বাবুলের প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের একটি অটোরিকশা চুরি হয়। এ ঘটনায় তিনি একই গ্রামের জাহাঙ্গীরের ছেলে শাওনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।

পরে ১৭ জুন পুলিশ মামলাটি রুজু করে। একই দিন ভোরে রায়পুর পৌর শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে শাওনকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এমদাদ উল্লাহ ও সোহাগ নামে আরও দুইজনকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সুদীপ্ত নাথ দীপ্ত।

এ বিষয়ে জানতে রায়পুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুদীপ্ত নাথ দীপ্তর মোবাইলফোনে কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মিয়া বলেন, দীপ্তর বিরুদ্ধে এফআইআর নেওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। এখনো আদালতের কোনো নির্দেশনা পাইনি।

কাজল কায়েস/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow