দক্ষিণ কোরিয়ার ড্রোন ভূপাতিত, বিস্ফোরক দাবি প্রতিপক্ষের

গহীন অরণ্যের নিস্তব্ধতা ভেঙে হঠাৎ আকাশ থেকে আছড়ে পড়ল এক যান্ত্রিক দানব। মুহূর্তেই চারদিকে ছড়িয়ে পড়ল আতঙ্ক আর উত্তেজনা। কোনো সাধারণ দুর্ঘটনা নয়, বরং দুই দেশের চিরবৈরী সম্পর্কের আগুনে যেন নতুন করে ঘি ঢালল এই ঘটনা। উত্তর কোরিয়ার দাবি, তাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে গুপ্তচরবৃত্তি করতে আসা দক্ষিণ কোরিয়ার একটি স্পাই-ড্রোন বা গোয়েন্দা ড্রোনকে আকাশেই অকেজো করে দেওয়া হয়েছে। পিয়ংইয়ংয়ের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনের তথ্যমতে, গত ৪ জানুয়ারি সিউলের একটি ড্রোন উত্তর কোরিয়ার আকাশসীমার ৮ কিলোমিটার গভীরে ঢুকে পড়ে। এরপর বিশেষ ইলেকট্রনিক সমরাস্ত্র ব্যবহার করে সেটিকে ভূপাতিত করে উত্তর কোরিয়ার সেনাবাহিনী। সম্প্রতি প্রকাশিত কয়েকটি স্থিরচিত্রে দেখা গেছে, বনাঞ্চলের মাটিতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ। এমনকি ড্রোনটির মেমোরি থেকে উদ্ধার করা-কেসং শহরের কিছু ছবিও প্রমাণ হিসেবে হাজির করেছে কিম জং উনের দেশ। তবে সিউল এই অভিযোগকে স্রেফ সাজানো নাটক বলে উড়িয়ে দিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, ছবিতে দেখানো ড্রোনের মডেলটি তাদের সামরিক বাহিনী পরিচালনা করে না। উত্তপ্ত এই পরিস্থিতিতে দেশটির প্রেসিডেন

দক্ষিণ কোরিয়ার ড্রোন ভূপাতিত, বিস্ফোরক দাবি প্রতিপক্ষের
গহীন অরণ্যের নিস্তব্ধতা ভেঙে হঠাৎ আকাশ থেকে আছড়ে পড়ল এক যান্ত্রিক দানব। মুহূর্তেই চারদিকে ছড়িয়ে পড়ল আতঙ্ক আর উত্তেজনা। কোনো সাধারণ দুর্ঘটনা নয়, বরং দুই দেশের চিরবৈরী সম্পর্কের আগুনে যেন নতুন করে ঘি ঢালল এই ঘটনা। উত্তর কোরিয়ার দাবি, তাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে গুপ্তচরবৃত্তি করতে আসা দক্ষিণ কোরিয়ার একটি স্পাই-ড্রোন বা গোয়েন্দা ড্রোনকে আকাশেই অকেজো করে দেওয়া হয়েছে। পিয়ংইয়ংয়ের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনের তথ্যমতে, গত ৪ জানুয়ারি সিউলের একটি ড্রোন উত্তর কোরিয়ার আকাশসীমার ৮ কিলোমিটার গভীরে ঢুকে পড়ে। এরপর বিশেষ ইলেকট্রনিক সমরাস্ত্র ব্যবহার করে সেটিকে ভূপাতিত করে উত্তর কোরিয়ার সেনাবাহিনী। সম্প্রতি প্রকাশিত কয়েকটি স্থিরচিত্রে দেখা গেছে, বনাঞ্চলের মাটিতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ। এমনকি ড্রোনটির মেমোরি থেকে উদ্ধার করা-কেসং শহরের কিছু ছবিও প্রমাণ হিসেবে হাজির করেছে কিম জং উনের দেশ। তবে সিউল এই অভিযোগকে স্রেফ সাজানো নাটক বলে উড়িয়ে দিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, ছবিতে দেখানো ড্রোনের মডেলটি তাদের সামরিক বাহিনী পরিচালনা করে না। উত্তপ্ত এই পরিস্থিতিতে দেশটির প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ুং একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। কোনো বেসরকারি গোষ্ঠী বা ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই অনুপ্রবেশ ঘটেছে কি না, তা এখন বড় প্রশ্ন হিসেবে দেখা দিয়েছে। দুই কোরিয়ার সীমান্তে এই ড্রোন-রহস্য এখন নতুন করে উত্তেজনার জন্ম দিচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow