দক্ষিণ লেবাননের প্রথম ‘পাইলট জোন’ ছাড়তে যাচ্ছে ইসরায়েল
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া নিরাপত্তা কাঠামোর অংশ হিসেবে কয়েক দিনের মধ্যেই দক্ষিণ লেবাননের একটি ‘পাইলট জোন’ থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু করবে ইসরায়েল। মার্কিন এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে অ্যাক্সিওস। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেনা প্রত্যাহার শুরুর আগেই রোমে ইসরায়েলের সঙ্গে নতুন দফা বৈঠকে অংশ নিতে লেবানন অস্বীকৃতি জানালেও পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রথম ধাপের প্রত্যাহার এগিয়ে নেওয়া হবে। একই সঙ্গে আরও কয়েকটি ‘পাইলট জোন’ তৈরির প্রস্তুতিও চলছে। মার্কিন কর্মকর্তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) উভয় পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহায়তায় পাইলট জোনগুলোতে এবং পুরো লেবাননে সরকারের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় কাজ করবে ওয়াশিংটন। গত ২৬ জুন হওয়া এই কাঠামো অনুযায়ী, ধাপে ধাপে দক্ষিণ লেবানন থেকে সেনা সরাবে ইসরায়েল। এর বিনিময়ে সেখানে মোতায়েন বাড়াবে লেবাননের সেনাবাহিনী এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে নিরস্ত্র করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে হিজবুল্লাহ ও লেবাননের কয়েকটি রাজনৈতিক দল এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছে। অন্যদিকে ইসরায়েল বলছে, হিজবুল্লাহ নিরস্ত্র না হলে পরবর্তী ধাপের সে
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া নিরাপত্তা কাঠামোর অংশ হিসেবে কয়েক দিনের মধ্যেই দক্ষিণ লেবাননের একটি ‘পাইলট জোন’ থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু করবে ইসরায়েল। মার্কিন এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে অ্যাক্সিওস।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেনা প্রত্যাহার শুরুর আগেই রোমে ইসরায়েলের সঙ্গে নতুন দফা বৈঠকে অংশ নিতে লেবানন অস্বীকৃতি জানালেও পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রথম ধাপের প্রত্যাহার এগিয়ে নেওয়া হবে। একই সঙ্গে আরও কয়েকটি ‘পাইলট জোন’ তৈরির প্রস্তুতিও চলছে।
মার্কিন কর্মকর্তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) উভয় পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহায়তায় পাইলট জোনগুলোতে এবং পুরো লেবাননে সরকারের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় কাজ করবে ওয়াশিংটন।
গত ২৬ জুন হওয়া এই কাঠামো অনুযায়ী, ধাপে ধাপে দক্ষিণ লেবানন থেকে সেনা সরাবে ইসরায়েল। এর বিনিময়ে সেখানে মোতায়েন বাড়াবে লেবাননের সেনাবাহিনী এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে নিরস্ত্র করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তবে হিজবুল্লাহ ও লেবাননের কয়েকটি রাজনৈতিক দল এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছে। অন্যদিকে ইসরায়েল বলছে, হিজবুল্লাহ নিরস্ত্র না হলে পরবর্তী ধাপের সেনা প্রত্যাহার হবে না।
এদিকে পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চললেও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় গোলাবর্ষণ, ড্রোন হামলা ও অভিযানের খবর পাওয়া গেছে। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২ মার্চ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত সংঘাতে দেশটিতে ৪ হাজার ৩২১ জন নিহত এবং ১২ হাজার ২০৪ জন আহত হয়েছেন।
What's Your Reaction?