দরজা ভেঙে যুবকের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার একটি বাড়ির বাথরুম থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন একজনকে আটক করা হয়েছে।  মঙ্গলবার (০৭ জুলাই) খলিলপুর ইউনিয়নের ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বস্তাবন্দি মরদেহটি আব্দুল আজীজ (৩০) নামের এক যুবকের বলে জানা গেছে। তার বাড়ি সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের আমতৈল গ্রামে। সে একই এলাকার সামছুল হকের ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে ব্রাহ্মণগ্রামের হাজী আব্দুস সোবহানের শুঁটকি আড়তে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতো। স্থানীয়রা জানান, সোমবার রাতে হাজী আব্দুস সোবহানের ভাই সুলেমান মিয়া (৪৫) আব্দুল আজীজকে নিজের বসতঘরে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। দীর্ঘ সময় দরজা বন্ধ থাকায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে তারা ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করলে বাথরুমে বস্তাবন্দি অবস্থায় আজীজের মরদেহ দেখতে পান। এ সময় সুলেমান মিয়া কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে যান। স্থানীয়রা খবর দিলে মৌলভীবাজার মডেল থানার পুলিশ, সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল খায়ের, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম এবং শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই ওবায়

দরজা ভেঙে যুবকের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার একটি বাড়ির বাথরুম থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন একজনকে আটক করা হয়েছে।  মঙ্গলবার (০৭ জুলাই) খলিলপুর ইউনিয়নের ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বস্তাবন্দি মরদেহটি আব্দুল আজীজ (৩০) নামের এক যুবকের বলে জানা গেছে। তার বাড়ি সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের আমতৈল গ্রামে। সে একই এলাকার সামছুল হকের ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে ব্রাহ্মণগ্রামের হাজী আব্দুস সোবহানের শুঁটকি আড়তে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতো। স্থানীয়রা জানান, সোমবার রাতে হাজী আব্দুস সোবহানের ভাই সুলেমান মিয়া (৪৫) আব্দুল আজীজকে নিজের বসতঘরে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। দীর্ঘ সময় দরজা বন্ধ থাকায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে তারা ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করলে বাথরুমে বস্তাবন্দি অবস্থায় আজীজের মরদেহ দেখতে পান। এ সময় সুলেমান মিয়া কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে যান। স্থানীয়রা খবর দিলে মৌলভীবাজার মডেল থানার পুলিশ, সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল খায়ের, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম এবং শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই ওবায়দুলের নেতৃত্বে একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে অভিযুক্ত সুলেমান মিয়াকে আটক করে। মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ঘটনাটির প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার কারণ ও হত্যাকাণ্ডের পেছনের উদ্দেশ্য জানতে পুলিশ তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow