দলীয় নেতাকর্মীরা এমন সুবিধা পাবেন না, যাতে সরকারের বদনাম হয়
সরকারি দপ্তর ও সরকারের কোনো উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় কোনো সিন্ডিকেট চান না বলে মন্তব্য করেছেন আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, আমরা (বিএনপি) ক্ষমতায় আছি, নিশ্চয় আমাদের নেতাকর্মীরা সুবিধা পাবেন। তবে এমন সুবিধা আমরা দেবো না, যা সরকারের বদনাম করে বেড়ায়। আইনমন্ত্রীর ভাষ্য, ‘একজন চাঁদাবাজ হাসপাতালে এসে যদি চাঁদাবাজি করে সেটা তার ব্যক্তি লাভ হতে পারে। কিন্তু এই চাঁদাবাজের কারণে সরকারের ওপরে যে কালিমা লিপ্ত হবে, সেই কালিমার দাগ সরকার নেবে না।’ শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। আরও পড়ুন আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী আইনমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি বরিশালে জোর করে দলীয় পরিচয়ে একজন চেক সাইন করতে নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু আমরা রাত পার হতে দেইনি। সেই ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘অপরাধী, সে দলের (বিএনপি) যত বড়ই নেতা হোক না কেন, তার পরিচয় সে অপরাধী। কেউ যদি মনে করেন আওয়ামী লীগ লুটপাট করেছে, আর সে
সরকারি দপ্তর ও সরকারের কোনো উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় কোনো সিন্ডিকেট চান না বলে মন্তব্য করেছেন আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
তিনি বলেন, আমরা (বিএনপি) ক্ষমতায় আছি, নিশ্চয় আমাদের নেতাকর্মীরা সুবিধা পাবেন। তবে এমন সুবিধা আমরা দেবো না, যা সরকারের বদনাম করে বেড়ায়।
আইনমন্ত্রীর ভাষ্য, ‘একজন চাঁদাবাজ হাসপাতালে এসে যদি চাঁদাবাজি করে সেটা তার ব্যক্তি লাভ হতে পারে। কিন্তু এই চাঁদাবাজের কারণে সরকারের ওপরে যে কালিমা লিপ্ত হবে, সেই কালিমার দাগ সরকার নেবে না।’
শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি বরিশালে জোর করে দলীয় পরিচয়ে একজন চেক সাইন করতে নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু আমরা রাত পার হতে দেইনি। সেই ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘অপরাধী, সে দলের (বিএনপি) যত বড়ই নেতা হোক না কেন, তার পরিচয় সে অপরাধী। কেউ যদি মনে করেন আওয়ামী লীগ লুটপাট করেছে, আর সেই খালি জায়গায় আপনি নিজেই বসে যাবেন, তাহলে ভুলের স্বর্গে বসবাস করছেন। এরকম ভুল ধারণা আপনারা করবেন না। আমরা এমন কোনো সুবিধা দলীয় নেতাকর্মীদের দেবো না, যাতে করে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। দলের বদনাম হবে এমন কোনো কাজ কোনো দলীয় নেতাকর্মীর কাছ থেকে মেনে নেওয়া হবে না।’
শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উন্নয়ন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘হাসপাতালটি ৫০ শয্যাবিশিষ্ট। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি যাতে হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বাড়ানো হয়।’
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে আয়োজিত হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন, পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশীষ বিন হাছান, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান, শৈলকূপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রাশেদ আল মামুন প্রমুখ।
এম শাহাজান/এসআর/জেআইএম
What's Your Reaction?
