দায়ের কোপে পিতার মৃত্যু, ছেলে আটক
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে ছেলের ধারালো দায়ের কোপে গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মজিবুর রহমান (৫৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ। নিহত মজিবুর রহমান (৫৫) উপজেলার ৪ নম্বর হালুয়াঘাট সদর ইউনিয়নের খন্দকপাড়া গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে। আটক ফারুক আহমেদ (৩০) নিহতের ছেলে। স্থানীয়দের দাবি, ফারুক দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে নিজ বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন মজিবুর রহমান। এ সময় ফারুক আহমেদ ধারালো দা দিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালান। এতে মজিবুর রহমানের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। তার চিৎকার শুনে স্বজন ও প্রতিবেশীরা ছুটে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হালুয়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে হালুয়াঘাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং আলামত সংগ্রহ করে। ঘটনা
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে ছেলের ধারালো দায়ের কোপে গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মজিবুর রহমান (৫৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত মজিবুর রহমান (৫৫) উপজেলার ৪ নম্বর হালুয়াঘাট সদর ইউনিয়নের খন্দকপাড়া গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে। আটক ফারুক আহমেদ (৩০) নিহতের ছেলে। স্থানীয়দের দাবি, ফারুক দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে নিজ বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন মজিবুর রহমান। এ সময় ফারুক আহমেদ ধারালো দা দিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালান। এতে মজিবুর রহমানের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। তার চিৎকার শুনে স্বজন ও প্রতিবেশীরা ছুটে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হালুয়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে হালুয়াঘাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং আলামত সংগ্রহ করে। ঘটনার পর ফারুক আহমেদ পালিয়ে গেলেও পুলিশ অভিযান চালিয়ে উপজেলার চরবাঙ্গালিয়া গ্রাম থেকে তাকে আটক করে।
হালুয়াঘাট সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, ‘ঘটনার পর অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
What's Your Reaction?