দি গ্রেগরিয়ান জাদুঘর তৈরিতে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর
‘রক্ষা এবং সংরক্ষণ’-স্লোগান নিয়ে সেন্ট গ্রেগরি স্কুলের মূল্যবান ইতিহাস এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে দি গ্রেগরিয়ান সোসাইটি-টিজিএস।
সম্প্রতি স্কুল প্রাঙ্গণে জাদুঘর নিয়ে গ্রেগরিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করে টিজিএস।
চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন টিজিএসএর সহ-সভাপতি ১৯৭৪ ব্যাচের রিজওয়ান খাইর এবং সেন্ট গ্রেগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ব্রাদার প্লাসিড পিটার রেবেইরো সিএসসি। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ১৯৮২ ব্যাচের মো. হাফিজ, ১৯৮৭ সালের রিচার্ড গোমেজ সহপ্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, স্কুলের শিক্ষক ও টিএসজির অন্য সদস্যরা।
দেশের কোন বিদ্যালয়ে এটাই প্রথম জাদুঘর তৈরির একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। একদল একনিষ্ঠ সাবেক গ্রেগরিয়ানদের, অনেক দিনের অক্লান্ত পরিশ্রম ও চেষ্টার ফল গ্রেগরিয়ান জাদুঘর। স্কুল প্রাঙ্গণে নির্মিত হওয়া জাদুঘরটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে আগামী ১৩ নভেম্বর।
দি গ্রেগরিয়ান সোসাইটির সদস্যরা বিশ্বের নানা দেশে থেকে জাদুঘরটি নির্মাণে অবদান রেখেছেন। শত বছরের পুরনো স্কুলটির ইতিহাস সংরক্ষণে এবং শিক্ষার্থীদের অর্জনকে আগামী প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে বিশেষ ভূমিকা র
‘রক্ষা এবং সংরক্ষণ’-স্লোগান নিয়ে সেন্ট গ্রেগরি স্কুলের মূল্যবান ইতিহাস এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে দি গ্রেগরিয়ান সোসাইটি-টিজিএস।
সম্প্রতি স্কুল প্রাঙ্গণে জাদুঘর নিয়ে গ্রেগরিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করে টিজিএস।
চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন টিজিএসএর সহ-সভাপতি ১৯৭৪ ব্যাচের রিজওয়ান খাইর এবং সেন্ট গ্রেগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ব্রাদার প্লাসিড পিটার রেবেইরো সিএসসি। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ১৯৮২ ব্যাচের মো. হাফিজ, ১৯৮৭ সালের রিচার্ড গোমেজ সহপ্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, স্কুলের শিক্ষক ও টিএসজির অন্য সদস্যরা।
দেশের কোন বিদ্যালয়ে এটাই প্রথম জাদুঘর তৈরির একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। একদল একনিষ্ঠ সাবেক গ্রেগরিয়ানদের, অনেক দিনের অক্লান্ত পরিশ্রম ও চেষ্টার ফল গ্রেগরিয়ান জাদুঘর। স্কুল প্রাঙ্গণে নির্মিত হওয়া জাদুঘরটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে আগামী ১৩ নভেম্বর।
দি গ্রেগরিয়ান সোসাইটির সদস্যরা বিশ্বের নানা দেশে থেকে জাদুঘরটি নির্মাণে অবদান রেখেছেন। শত বছরের পুরনো স্কুলটির ইতিহাস সংরক্ষণে এবং শিক্ষার্থীদের অর্জনকে আগামী প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন দি গ্রেগরিয়ান সোসাইটির সদস্যরা।