দিনদুপুরে আওয়ামী লীগ নেতাদের তাণ্ডব, লুট করা গরু দিয়ে ভূরিভোজ
রংপুরের পীরগাছায় দিনদুপুরে তাণ্ডব চালিয়েছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতারা। তাদের বিরুদ্ধে বাড়িঘর ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের পাশাপাশি নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও আসবাবপত্র লুট করার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি লুট করা গরু দিয়ে ভূরিভোজও করেন তারা। জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে রোববার (৯ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার ছাওলা ইউনিয়নের দামুরস্বর গ্রামে ঘণ্টাব্যাপী এ তাণ্ডব চালানো হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ছাওলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য ও পাওটানাহাট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি রেজাউল করিম, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুকুল মিয়া এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি আইয়ুব হোসেনের নেতৃত্বে ৭০-৮০ জন দামুরস্বর গ্রামের মৃত গফুর প্রামাণিকের ছেলে সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে প্রথমে হামলা চালান। ভয়ে বাড়ির লোকজন সরে গেলে হামলাকারীরা চারটি ঘরে ভাঙচুর করেন। এসময় ফ্রিজ ও আসবাব ভাঙচুর করে শ্যালো মেশিন, সেচ দেওয়ার মোটর, টেলিভিশনসহ মূল্যবান আসবাব লুট করে নিয়ে যান তারা। আরও পড়ুন শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের উপস্থাপক কে এই অরিন পরে সৈয়দ আলী
রংপুরের পীরগাছায় দিনদুপুরে তাণ্ডব চালিয়েছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতারা। তাদের বিরুদ্ধে বাড়িঘর ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের পাশাপাশি নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও আসবাবপত্র লুট করার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি লুট করা গরু দিয়ে ভূরিভোজও করেন তারা।
জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে রোববার (৯ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার ছাওলা ইউনিয়নের দামুরস্বর গ্রামে ঘণ্টাব্যাপী এ তাণ্ডব চালানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ছাওলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য ও পাওটানাহাট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি রেজাউল করিম, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুকুল মিয়া এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি আইয়ুব হোসেনের নেতৃত্বে ৭০-৮০ জন দামুরস্বর গ্রামের মৃত গফুর প্রামাণিকের ছেলে সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে প্রথমে হামলা চালান। ভয়ে বাড়ির লোকজন সরে গেলে হামলাকারীরা চারটি ঘরে ভাঙচুর করেন। এসময় ফ্রিজ ও আসবাব ভাঙচুর করে শ্যালো মেশিন, সেচ দেওয়ার মোটর, টেলিভিশনসহ মূল্যবান আসবাব লুট করে নিয়ে যান তারা।
পরে সৈয়দ আলী, এরশাদ আলী ও রুবেল মিয়ার বাড়িতেও হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। সেখানে তারা আটটি ঘর, মোটরসাইকেল, মূল্যবান আসবাব ভাঙচুর করে নগদ টাকাসহ ছয়টি বিদেশি জাতের গরু, স্বর্ণালঙ্কার, পাসপোর্ট ও দলিলপত্র নিয়ে যায়।
ঘণ্টাব্যাপী তাণ্ডব চালানোর পর লুট করা একটি গরু দিয়ে ভূরিভোজের আয়োজন করে হামলাকারীরা। এ ঘটনায় পুরো গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়রা বলছেন, ঘটনার সময় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামের মানুষ এসব প্রভাবশালীর ভয়ে ছোটাছুটি করতে থাকেন। দিনদুপুরে গরু ও আসবাব লুটপাটের ঘটনায় হতবাক তারা।
ভুক্তভোগী সৈয়দ আলী ও সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘ঘরে থাকা-খাওয়ার মতো কিছু নেই। সব নিয়ে গেছে। ছোট-বড় ছয়টি বিদেশি গরুর সঙ্গে রান্না করা পাতিলও নিয়ে গেছে হামলাকারীরা। চাল-ডাল কিছুই রেখে যায়নি। হামলার পুরো সময় বিভিন্ন স্থানে পাহারা বসানো ছিল। ফলে কেউ তাদের প্রতিরোধ করতে এগিয়ে আসেনি।’
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য আইয়ুব আলী ও রেজাউল করিম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমরা ঘটনার সময় ছিলাম না, বাইরে ছিলাম।
সোমবার (১০ আগস্ট) বিকেলে পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মালিক জাগো নিউজকে বলেন, ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
জিতু কবীর/এসআর/এএসএম
What's Your Reaction?

