দিনাজপুর-৪ আসনে জামানত হারালেন হাতপাখা ও লাঙ্গলের প্রার্থী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুর-৪ (খানসামা–চিরিরবন্দর) আসনে বেসরকারিভাবে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী মো. আখতারুজ্জামান মিয়া। এ আসনে জামানত হারিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. আনোয়ার হোসাইন ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. নুরুল আমিন শাহ। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে ঘোষিত বেসরকারি ফলাফল দেখা গেছে, আসনে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে বড় ব্যবধানে নির্বাচিত হন। এই আসনে মোট ৪ লাখ ২১ হাজার ২৭৮ জন ভোটারের মধ্যে ভোট প্রদান করেন ৩ লাখ ৬ হাজার ৯৯১ জন। ঘোষিত ফলাফলে দেখা গেছে, বিজয়ী প্রার্থী মো. আখতারুজ্জামান মিয়া পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আফতাব উদ্দিন মোল্লা ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৫৬ ভোট। ঐতিহ্যগতভাবে বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত দিনাজপুর-৪ আসনে এবারের নির্বাচনে জামায়াতের সঙ্গে লড়াই ছিল বেশ হাড্ডাহাড্ডি। শেষ পর্যন্ত প্রায় ৩৭ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন বিএনপি প্রার্থী। নির্বাচনি বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুর-৪ (খানসামা–চিরিরবন্দর) আসনে বেসরকারিভাবে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী মো. আখতারুজ্জামান মিয়া। এ আসনে জামানত হারিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. আনোয়ার হোসাইন ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. নুরুল আমিন শাহ।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে ঘোষিত বেসরকারি ফলাফল দেখা গেছে, আসনে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে বড় ব্যবধানে নির্বাচিত হন। এই আসনে মোট ৪ লাখ ২১ হাজার ২৭৮ জন ভোটারের মধ্যে ভোট প্রদান করেন ৩ লাখ ৬ হাজার ৯৯১ জন।
ঘোষিত ফলাফলে দেখা গেছে, বিজয়ী প্রার্থী মো. আখতারুজ্জামান মিয়া পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আফতাব উদ্দিন মোল্লা ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৫৬ ভোট। ঐতিহ্যগতভাবে বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত দিনাজপুর-৪ আসনে এবারের নির্বাচনে জামায়াতের সঙ্গে লড়াই ছিল বেশ হাড্ডাহাড্ডি। শেষ পর্যন্ত প্রায় ৩৭ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন বিএনপি প্রার্থী।
নির্বাচনি বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট কাস্ট হওয়া ভোটের কমপক্ষে আট ভাগের এক ভাগ (১/৮ অংশ) ভোট অর্জন করতে হয়। সে হিসাবে দিনাজপুর-৪ আসনে জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল অন্তত ৩৮ হাজার ৩৭৪টি ভোট। তবে বাকি দুই প্রার্থী সেই কোটা পূরণে ব্যর্থ হয়ে জামানত হারিয়েছেন।
এর মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. আনোয়ার হোসাইন ‘হাতপাখা’ প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৬৯৯ ভোট এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. নুরুল আমিন শাহ ‘লাঙ্গল’ প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ১৫২ ভোট।
What's Your Reaction?