দিনাজপুরে কমেনি শীতের তীব্রতা, তাপমাত্রা ১১.৬ ডিগ্রি

বছরের শুরুতেই কনকনে শীতে কাঁপছে উত্তরের জেলা দিনাজপুর। হিমেল বাতাস আর ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ছে জনপথ। রোববার (৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় দিনাজপুর জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার (৩ জানুয়ারি) তাপমাত্রা ছিলো ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়াও ১ জানুয়ারি ৯ দশমিক ৭ এবং ২ জানুয়ারি ১০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। রোববার বেলা ১১টার দিকেও সূর্যের দেখা মিলেনি। বৃষ্টির মত ঝরছে শিশির। গত কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা ৯ থেকে ১২ ডিগ্রির মধ্যে উঠানামা করছে। পাশাপাশি হিম শীতল বাতাস জনজীবন বিপর্যস্ত করে তুলছে। তীব্র শীতের কারণে সবচেয়ে বেশি বেকায়দায় রয়েছে শিশু ও বৃদ্ধা। দিনাজপুরের চিরিরবন্দর তালপুকুর গ্রামের রেজাউল করিম বলেন, এবারের শীতে খুব বেশি ঠাণ্ডা অনুভূত হচ্ছে। বিছানায় গেলে মনে হচ্ছে কেউ মনে হয় পানি ঢেলে দিয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে খুবই ঠাণ্ডা পড়ছে। প্রয়োজন ছাড়া মানুষ বাইরে বের হচ্ছে না। সদর উপজেলার শশরা ইউনিয়নের বৈরাগিডিঘী গ্রামের প্রতিবন্ধী মজিদা বলেন, আগে শীতে মানুষ শীতবস্ত্র দিলেও এবার নাকি ভোটের জন্য কেউ শীতবস্ত্র বিতরণ করছে না । কয়েকদিনের ঠাণ্ডার কারণে

দিনাজপুরে কমেনি শীতের তীব্রতা, তাপমাত্রা ১১.৬ ডিগ্রি

বছরের শুরুতেই কনকনে শীতে কাঁপছে উত্তরের জেলা দিনাজপুর। হিমেল বাতাস আর ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ছে জনপথ। রোববার (৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় দিনাজপুর জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) তাপমাত্রা ছিলো ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়াও ১ জানুয়ারি ৯ দশমিক ৭ এবং ২ জানুয়ারি ১০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।

রোববার বেলা ১১টার দিকেও সূর্যের দেখা মিলেনি। বৃষ্টির মত ঝরছে শিশির। গত কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা ৯ থেকে ১২ ডিগ্রির মধ্যে উঠানামা করছে। পাশাপাশি হিম শীতল বাতাস জনজীবন বিপর্যস্ত করে তুলছে। তীব্র শীতের কারণে সবচেয়ে বেশি বেকায়দায় রয়েছে শিশু ও বৃদ্ধা।

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর তালপুকুর গ্রামের রেজাউল করিম বলেন, এবারের শীতে খুব বেশি ঠাণ্ডা অনুভূত হচ্ছে। বিছানায় গেলে মনে হচ্ছে কেউ মনে হয় পানি ঢেলে দিয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে খুবই ঠাণ্ডা পড়ছে। প্রয়োজন ছাড়া মানুষ বাইরে বের হচ্ছে না।

সদর উপজেলার শশরা ইউনিয়নের বৈরাগিডিঘী গ্রামের প্রতিবন্ধী মজিদা বলেন, আগে শীতে মানুষ শীতবস্ত্র দিলেও এবার নাকি ভোটের জন্য কেউ শীতবস্ত্র বিতরণ করছে না । কয়েকদিনের ঠাণ্ডার কারণে কাহিল হয়ে পড়েছি।

ফুলতলা এলাকা ইজিবাইক চালক আব্দুল বাকি বলেন, খুব কষ্ট হয়ে গেছে, শীতের কারণে বাইরে রাস্তায় বেশি সময় গাড়ি চালানো যায় না। ঠাণ্ডায় হাত পা শীতল হয়ে আসছে। ভাড়াও নেই। শীতে মানুষ প্রয়োজন ছাড়া বাড়ি থেকে বের হচ্ছে না।

নাম প্রকাশে একটি স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের প্রধান বলেন, আমরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে ইচ্ছে থাকলেও বিতরণ করতে যাচ্ছি না বিতর্কিত হওয়ার ভয়ে। বিগত সময়ের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়।

দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন জানান, দেশের যে কয়টি জেলায় প্রচণ্ড শীত পড়ে তার মধ্যে দিনাজপুর অন্যতম। এবারে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সমান থাকার কারণে রাত দিন সমান শীত অনুভব হচ্ছে। এই জেলায় শীত আরও বাড়বে।

এমদাদুলহক মিলন/এনএইচআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow