দিনাজপুরে জেঁকে বসেছে হাড়কাঁপানো শীত, বিপর্যস্ত জনজীবন
বছরের শুরুতেই কনকনে শীতে কাঁপছে উত্তরের জেলা দিনাজপুর। হিমেল বাতাস আর ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ছে জনপথ। তীব্র এই ঠান্ডায় সাধারণ মানুষের পাশাপাশি গবাদি প্রাণিরাও কাহিল হয়ে পড়েছে। প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছে না, ফলে রাস্তাঘাটে মানুষের চলাচল অনেকটাই কমে গেছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় দিনাজপুরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসে আর্দ্রতা ছিল ৯৪ শতাংশ। গত কয়েকদিন ধরেই এই জেলার তাপমাত্রা ৯ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। শহরের ডাবগাছ মসজিদ এলাকার বাসিন্দা ৬৫ বছর বয়সী লোকমান হাকিম বলেন, গত কয়েকদিন ধরে খুবই ঠান্ডা পড়ছে। প্রয়োজন ছাড়া মানুষ বাইরে বের হচ্ছে না। এখন দোকান থেকে বাসার জন্য কিছু খাবার কিনতে হবে, তাই বের হয়েছি। উপশহর এলাকার বাসিন্দা আলেয়া বেগম বলেন, কয়েকদিনের ঠান্ডার কারণে আমার ছোট নাতির জ্বর হয়েছে। তাকে কয়েকবার ডাক্তার দেখিয়েছি, এখন পযন্ত সুস্থ্য হয় নাই। তাকে নিয়ে সারাদিন ঘরে ভেতরে থাকি। কিন্তু ঘরের ভেতরে আর কতক্ষণ থাকবো। বাইরের কাজ করতে হয়। কাঞ্চন কলোনী এলাকার বাসিন্দা সামিউল ইসলাম বলেন, গতবারের তুলনায় এবার ঠান্ডা একট
বছরের শুরুতেই কনকনে শীতে কাঁপছে উত্তরের জেলা দিনাজপুর। হিমেল বাতাস আর ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ছে জনপথ। তীব্র এই ঠান্ডায় সাধারণ মানুষের পাশাপাশি গবাদি প্রাণিরাও কাহিল হয়ে পড়েছে। প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছে না, ফলে রাস্তাঘাটে মানুষের চলাচল অনেকটাই কমে গেছে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় দিনাজপুরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসে আর্দ্রতা ছিল ৯৪ শতাংশ। গত কয়েকদিন ধরেই এই জেলার তাপমাত্রা ৯ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে।
শহরের ডাবগাছ মসজিদ এলাকার বাসিন্দা ৬৫ বছর বয়সী লোকমান হাকিম বলেন, গত কয়েকদিন ধরে খুবই ঠান্ডা পড়ছে। প্রয়োজন ছাড়া মানুষ বাইরে বের হচ্ছে না। এখন দোকান থেকে বাসার জন্য কিছু খাবার কিনতে হবে, তাই বের হয়েছি।
উপশহর এলাকার বাসিন্দা আলেয়া বেগম বলেন, কয়েকদিনের ঠান্ডার কারণে আমার ছোট নাতির জ্বর হয়েছে। তাকে কয়েকবার ডাক্তার দেখিয়েছি, এখন পযন্ত সুস্থ্য হয় নাই। তাকে নিয়ে সারাদিন ঘরে ভেতরে থাকি। কিন্তু ঘরের ভেতরে আর কতক্ষণ থাকবো। বাইরের কাজ করতে হয়।
কাঞ্চন কলোনী এলাকার বাসিন্দা সামিউল ইসলাম বলেন, গতবারের তুলনায় এবার ঠান্ডা একটু বেশি পড়ছে। গত বছর সরকারিসহ বিভিন্ন সংগঠন শীতবস্ত্র বিতরণ করলেও এ বছর এখন পর্যন্ত চোখে পড়ে নাই। আমরা তো দিন মজুরি করে চলি। যা আয় হয় তা দিয়ে কোনো রকমে সংস্কার চালাই। শীতবস্ত্র কেনার টাকা থাকে না। সরকার কিংবা বেসরকারিভাবে শীতবস্ত্র ব্যবহার করা হলে আমাদের অনেক উপকার হবে।
ইজিবাইক চালক আসলাম বলেন, কয়েকদিন ধরে ঠান্ডার কারণে সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত যাত্রী পাওযা যায় না। এমনিতেই ইজিবাইকের সংখ্যা বেশি। তার ওপরে ঠান্ডার কারণে যাত্রীরা বের হতে চান না। সকাল থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত মাত্র ৬০ টাকা ভাড়া পেয়েছি। দুপুরের পর রোদ উঠলে মানুষ বাইরে বের হয়।
দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন জানান, গত কয়েকদিন ধরে দিনাজপুরের তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। ভোরের দিকে কুয়াশা ও ঠান্ডা বাতাসের কারণে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। তবে দুপুরের দিকে রোদ উঠলে ঠান্ডার মাত্রাটা একটু কমে যাচ্ছে।
এমদাদুলহক মিলন/কেএইচকে/এমএস
What's Your Reaction?