দিনাজপুরে বাবা ও সৎ ভাইকে খুন

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বাবা ও সৎ ভাইকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল ৬টার সময় চিরিরবন্দর উপজেলার ফতেজংপুর ইউনিয়নের মন্ডলপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- মন্ডলপাড়ার মৃত আব্দুল জব্বারের ছেলে শহিদুল ইসলাম দুলু (৭০) ও তার ছেলে কাবিল (৩২)। এই ঘটনার পর থেকে শহিদুল ইসলামের অপর দুই ছেলে সাকিব (১৮) ও সাদিকুল (৩০) পলাতক রয়েছেন। নিহত কাবিল শহিদুল ইসলামের প্রথম স্ত্রীর ছেলে ও পলাতক সাকিব ও সাদিকুল দ্বিতীয় স্ত্রীর ছেলে। চিররবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুন নবী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবারের বরাত দিয়ে ওসি মাহমুদুন নবী জানান, নিহত শহিদুল ইসলাম দুলুর দুই স্ত্রী। দীর্ঘদিন ধরে তার জমি নিয়ে দুই স্ত্রীর ছেলেদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। সম্প্রতি ধান কাটার পর ২ পরিবারকে সমানভাবে বন্টন করে দিয়েছিলেন তিনি। তবে কয়েকদিন ধরে জমিতে চাষ করা ভুট্টার সমান ভাগ চাচ্ছিলেন দ্বিতীয় স্ত্রীর ছেলে সাকিব ও সাদিকুল। মঙ্গলবার ভোরে ভুট্টা ক্ষেতে বিষয়টি নিয়ে বাবা ও সৎ ভাইয়ের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় সাকিব ও সাদিকুলের। পরে তারা লোহার রড দিয়ে বাবা ও ভাই কাবিলকে আঘাত

দিনাজপুরে বাবা ও সৎ ভাইকে খুন

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বাবা ও সৎ ভাইকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল ৬টার সময় চিরিরবন্দর উপজেলার ফতেজংপুর ইউনিয়নের মন্ডলপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- মন্ডলপাড়ার মৃত আব্দুল জব্বারের ছেলে শহিদুল ইসলাম দুলু (৭০) ও তার ছেলে কাবিল (৩২)।

এই ঘটনার পর থেকে শহিদুল ইসলামের অপর দুই ছেলে সাকিব (১৮) ও সাদিকুল (৩০) পলাতক রয়েছেন। নিহত কাবিল শহিদুল ইসলামের প্রথম স্ত্রীর ছেলে ও পলাতক সাকিব ও সাদিকুল দ্বিতীয় স্ত্রীর ছেলে।

চিররবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুন নবী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবারের বরাত দিয়ে ওসি মাহমুদুন নবী জানান, নিহত শহিদুল ইসলাম দুলুর দুই স্ত্রী। দীর্ঘদিন ধরে তার জমি নিয়ে দুই স্ত্রীর ছেলেদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। সম্প্রতি ধান কাটার পর ২ পরিবারকে সমানভাবে বন্টন করে দিয়েছিলেন তিনি। তবে কয়েকদিন ধরে জমিতে চাষ করা ভুট্টার সমান ভাগ চাচ্ছিলেন দ্বিতীয় স্ত্রীর ছেলে সাকিব ও সাদিকুল।

মঙ্গলবার ভোরে ভুট্টা ক্ষেতে বিষয়টি নিয়ে বাবা ও সৎ ভাইয়ের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় সাকিব ও সাদিকুলের। পরে তারা লোহার রড দিয়ে বাবা ও ভাই কাবিলকে আঘাত করে পালিয় যান। এতে ঘটনাস্থলে বাবা শহিদুল ইসলাম মারা যান। স্থানীয়রা আহত কাবিলকে উদ্ধার করে সৈয়দপুরের একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি জানান, ঘটনার পর থেকে ঘাতক দুই ভাই পলাতক রয়েছেন। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রড উদ্ধার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

এমদাদুল হক মিলন/এফএ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow