দিলীপ আগরওয়ালার স্ত্রীর জমি-দোকান জব্দের আদেশ
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্য উপ-কমিটির সদস্য ও ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগরওয়ালার স্ত্রী সবিতা আগরওয়ালার মালিকানাধীন একাধিক সম্পত্তি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। জব্দ করা সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে, ঢাকায় একটি বাণিজ্যিক স্পেস, চুয়াডাঙ্গায় জমি এবং রাজশাহীতে নির্মাণাধীন একটি মার্কেটের দোকান ও সংশ্লিষ্ট জমি। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ঢাকার মহানগর সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। দুদকের আবেদনে বলা হয়, সবিতা আগরওয়ালা (৫১) বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণভাবে ৪৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন ও ভোগদখল করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি তার নিজের ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা আটটি ব্যাংক হিসাবে ২১৩ কোটি ২৮ লাখ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে এবং মামলাটি তদন্তের জন্য একজন তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়। তদন্তকালে রেকর্ডপত্র ও তথ্যাদি পর্যালোচনায় দেখা যায়, আসামি তার নামে থা
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্য উপ-কমিটির সদস্য ও ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগরওয়ালার স্ত্রী সবিতা আগরওয়ালার মালিকানাধীন একাধিক সম্পত্তি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
জব্দ করা সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে, ঢাকায় একটি বাণিজ্যিক স্পেস, চুয়াডাঙ্গায় জমি এবং রাজশাহীতে নির্মাণাধীন একটি মার্কেটের দোকান ও সংশ্লিষ্ট জমি।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ঢাকার মহানগর সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।
দুদকের আবেদনে বলা হয়, সবিতা আগরওয়ালা (৫১) বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণভাবে ৪৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন ও ভোগদখল করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি তার নিজের ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা আটটি ব্যাংক হিসাবে ২১৩ কোটি ২৮ লাখ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এসব অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে এবং মামলাটি তদন্তের জন্য একজন তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়। তদন্তকালে রেকর্ডপত্র ও তথ্যাদি পর্যালোচনায় দেখা যায়, আসামি তার নামে থাকা স্থাবর সম্পদ হস্তান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। এমন পরিস্থিতিতে মামলা নিষ্পত্তির আগেই সম্পত্তি স্থানান্তর হয়ে গেলে রাষ্ট্রের অপূরণীয় ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে— এ যুক্তিতে আদালতে সম্পত্তি জব্দের আবেদন জানানো হয়।
আদালত দুদকের আবেদনের যুক্তি বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট জমি ও দোকান জব্দের নির্দেশ দেন।
এমডিএএ/এমএএইচ/জেআইএম
What's Your Reaction?